মোঃ আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বিপুল ভোটে নির্বাচিত ও গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন ও অবহেলিত ধনপুর ইউনিয়কে মডেল ইউনিয়নে পরিণত করতে চান চেয়ারম্যান মিলন মিয়া। কর্মসূজন কর্মসূচী প্রকল্প না থাকায় ধীর গতিতে অবকাঠামো উন্নয়ন হচ্ছে। এলজিএসপি ও টিআর প্রকল্প দিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূণ রাস্তাঘাট বাস্তবায়নের পথে। ইউনিয়নের অধীনস্থ হাট বাজার কিংবা জলমহাল না থাকায় স্বল্প পরিমান রাজস্ব দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, উন্নয়ন খাতের টাকা দিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কালভার্ট নির্মাণ, এলজিএসপির বরাদ্দ দিয়ে গুরুত্বপূণ রাস্তা নির্মাণ। কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্প দিয়ে নতুন রাস্তা নির্মাণ। ৫৭৩ জন অসহায়,দুস্থ ও গড়িব মহিলা উপকারভোগীকে বিনামূল্যে প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে ভিজিডির চাল। ২০২২-২৩ অথ বছর এলজিএসপির বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ, বক্যকালর্ভাট, সিসি রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের বিভিন্ন কাজ সদস্যরা নিজেই শতভাগ বাস্তবায়ন করেন।
ধনপুর ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য হেনু মিয়া চৌধুরী বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব পরিষদের দায়িত্বভার নেওয়ার পর থেকে বরাদ্দ আসলে তিনি নিজে সকল মেম্বারদের ডেকে ভিজিএফ,ভিজিডি বিতরণ করেছেন। আমরা সদস্যরা কোন দিন চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে আয়-ব্যয়ের হিসেব চাইনি। কিন্তু তিনি নিজেই সবার সম্মুখে আমাদেরকে হিসেব দেন। পরিষদের সবাইকে নিয়ে আমাদের একটি পরিবার এবং পরিবারের অভিভাবক হলেন চেয়ারম্যান সাহেব। আমাদের মধ্যে যদি কখনও ভুল বোঝাবুঝি হয় । তাহলে চেয়ারম্যান সাহেব আমাদেরকে নিয়ে বসে নিষ্পত্তি করে দেন। আগামী দিনগুলো যাতে চেয়ারম্যান সাহেবকে নিয়ে সুন্দর ভাবে কাটাতে পারি দোয়া করবেন।
২নং ওয়ার্ড সদস্য মো রুহুল আমিন বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে সরকারি যত ধরনের বরাদ্দ আসে তিনি আমাদেরকে সমান ভাগে বন্টন করে দেন। আমাদের প্রকল্প নিমাণ কাজে তিনি বিনিময় না নিয়ে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে প্রতিনিয়ত তদারকি করেন। যাতে করে শতভাগ কাজ বাস্তবায়ন হয়। বন্যার সময় ব্যক্তিগত ভাবে বানভাসি মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন।
৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড সদস্যা মনোয়ারা খাতুন বলেন, এলজিএসপি ও টিআর প্রকল্পের যা কিছু বরাদ্দ এসেছে উনি সবাইকে সমান ভাবে বন্টন করে দিয়েছেন আমাদের মধ্যে। উনি খুবই ভালো মানুষ। আমাদের ইউনিয়নে মারামারির কোন ঘটনা ঘটলে তিনি খুব দ্রুত বিরুধ নিষ্পত্তি করে দেন।
সংরক্ষিত (৭,৮,৯)নং ইউপি সদস্য ফাতেমা খাতুন বলেন, আমাদের ইউনিয়নে হাটবাজার ও জলমহাল না থাকায় রাজস্ব অনেক কম। জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান সাহেব শুধু সরকারি ফ্রি ৫০ টাকা নেন। প্রায় ইউনিয়নে শতভাগ ট্র্যাক্স পরিশোধ করে জন্ম নিবন্ধন ও নাগরিক সনদ দেয়। উনি ভাল মানুষ না হলে নৌকার শক্তিশালী প্রার্থীকে পরাজিত করে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হলেন কি ভাবে। ৪নং ওয়ার্ড সদস্য মুক্তার হোসেন বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যা কিছুই আসে আমরা সঠিক ভাবে পাই। বন্যার সময় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য যে সমস্ত সাহায্য এসেছিল চেয়ারম্যান সাহেব আমাদেরকে সঙ্গে নিয়ে বিতরণ করেছেন।
৭ নং ওয়াড সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান (১) মো আব্দুস সালাম বলেন, আমাদের ইউনিয়নে প্রায় ৬০ ভাগ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে। চেয়ারম্যান সাহেব নিজের জন্য কিছু না রেখে সবই আমাদের মধ্যে বন্টন করে দেন। যাতে সঠিক ভাবে দরিদ্ররা ভিজিএফ, ভিজিডি, টিসিবির মালামাল পায়। বতর্মানেও ৫৭৩ জন অসহায় মহিলা প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল পাচ্ছে। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার মধ্যে তরুণ চেয়ারম্যান মিলন মিয়া। উনার শুধু দেওয়ার অভ্যাস আছে কিন্তু নেওয়ার অভ্যাস নেই।
১নং ওয়াড সদস্য মো ইউনুস আলী বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব গড়িব মানুষ হলেও টাকার প্রতি লোভ লালসা নেই। তিনি সব সময় দরিদ্র,অসহায় লোকদের পাশে থেকে সাহায্য করেন। বন্ধের দিনেও তিনি অফিস করেন। উনার জন্য দোয়া করবেন।
ধনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিলন মিয়া বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মা জননী শেখ হাসিনা আমার ইউনিয়নের গড়িব,অসহায় ও দুস্থদের মধ্যে অনেক উপহার দিয়েছেন। বন্যা কালীন সময়ে মাননীয় সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিজবাহ ভাই আমার ইউনিয়নে সবার আগে ত্র্যান পৌছে দিয়েছেন। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সফর আলী ভাই ও নিবাহী অফিসার মহোদয় আমার ইউনিয়নের ভূমিহীনদের জন্য গৃহ নিমাণ করে দিয়েছেন। উনাদের কাছে সরকারি কোন অনুদান আসলে যথা সময়ে বরাদ্দ পাই। উনাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। আমার ইউনিয়নটি সীমান্তবর্তী হওয়ার কারণে সকাল হলেই শুনা যায় অনেকের গোয়াল ঘরের দরজা কেটে তালা ভেঙ্গে গরু নেই। তাই আমি সম্প্রতি উপজেলা নিবার্হী অফিসার ও অফিসার ইনর্চাজ মহোদয়ের সহযোগিতায় ২১টি গরু সহ হাতে নাতে চোর ধরে থানায় র্সোপদ করেছি।