বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো চীফঃ
সৃষ্ট গভীর নিম্নচাপে রয়েছে সমুদ্র বন্দর ও বঙ্গোপসাগর ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং আঘাত হানতে পারে আজ সন্ধ্যা নাগাদ। দক্ষিণাঞ্চলীয় ১৯ টি জেলা রয়েছে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্য। সতর্ক সংকেত সড়িয়ে এখন ৭ নম্বর মহা বিপদ সংকেত। আতঙ্কিত ১৯ জেলার মানুষ। পাশাপাশি ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আজ ভোর থেকে বঙ্গোপসাগরে পানি বেড়েছে ৩ থেকে ৪ ফুট সাথে দমকা হাওয়া ও ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা গুলোতে ৩ নম্বর সংকেত পরিবর্তন করে ৭ নম্বর মহা বিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
পাশাপাশি সাগর নদীতে মৎস্য আহরণ কারী সকল জেলেদের নিরাপদ স্থানে এসে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।
এদিকে খুলনা আবহাওয়া ইনচার্জ সিনিয়র আবহাওয়াবিদ আমিরুল আজাদ জানিয়েছেন ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং ক্রমান্বয়ে শক্তিশালী হয়ে আসছে। বর্তমানে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় দুই বিভাগের জেলাগুলোতে মৃদু ঝড়ো হাওয়া বইছে। সেহেতু বাতাসের গতি বেড়েছে পূর্বের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার ঘন্টায়।
সাথে আজ ভোর থেকে ভারী বর্ষণের কারণে সমুদ্র নদী উপকূলীয় এলাকা গুলো ইতিমধ্য পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
বর্তমানে সৃষ্ট আবহাওয়ায় বেশির হুমকির মুখে রয়েছে বরিশাল পাথরঘাটা ঝালকাঠি নলছিটি ভোলা বরগুনা কুয়াকাটা সন্দ্বীপ বাগেরহাট মংলা বন্দর এলাকা এদিকে খুলনা-সাতক্ষীরা কয়রা দাকোপ চালনা রামপালসহ অধিকাংশ নদীবন্দর উপকূলীয় এলাকা গুলো গত গভীর রাত থেকে ভারী মেঘে ঘিরে রেখেছে আকাশ।
ফলে বিরামহীন বৃষ্টি হয়ে যাচ্ছে উল্লেখিত এলাকাগুলোতে।
পরিস্থিতির ওপর বিশ্লেষণ করে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা আরো বলেছেন ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং ক্রমান্বয়ে শক্তিশালী হয়ে বাংলাদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
বর্তমানে ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের উড়িষ্যার সমুদ্র উপকূলীয় এলাকা থেকে উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
তবে বাতাসের গতিবিধিও মেঘের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে আজ সন্ধ্যা নাগাদ বাংলাদেশে আংশিকভাবে ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানবে। এবং আগামীকাল ২৫ অক্টোবর ভোর নাগাদ বাংলাদেশের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এবং এই আবহাওয়া অপরিবর্তিতভাবে আগামী ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে বলে ধারণা দিয়েছে আবহাওয়াবিদরা ।
এতে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় ১৯ টি জেলার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কার ধারণা ও দিয়েছেন তারা।