• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
বেগম খালেদা জিয়ার রুহেত মাগফিরাত কামনায় দেশবাসির নিকট দোয়া চান ধানের শীষের প্রার্থী-আলহাজ্ব আনিসুল হক সুনামগঞ্জ-১ আসনে আনিসুল হক’র মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা: উচ্ছ্বসিত ভোটাররা শান্তিগঞ্জে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপন নতুন বই শিক্ষার্থীদের লেখা পড়ায় প্রেরণা যোগাবে-সঞ্জীব সরকার সুনামগঞ্জে অবৈধ অস্ত্র এবং সন্ত্রাসী দের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর কঠোর অবস্থান সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ থেকে ৩ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯ গোবিন্দনগর মাদ্রাসা’র ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাও.আব্দুল আজিজ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মোহাম্মদ আলীর শোক প্রকাশ সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ৩৯ বোতল বিদেশী মদসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সুনামগঞ্জ-৫ ছাতক-দোয়ারাবাজার আসনে ৮ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল
প্রকাশ : October 9, 2022

ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রী সমাজের ভূমিকা-জাকিয়া সুলতানা

চলমান ডেক্সঃ

শুভ কামনায়-মাহফুজুর রহমান সজিব

“বিশ্বে যা কিছু মহান শ্রেষ্ঠ
চির কল্যাণকর,অর্ধেক তার করিয়াছে নারী,অর্ধেক তার নর”
কোন কালে একা হয়নিকো জয়ী
পুরুষের তরবারি!
প্রেরনা দিয়েছে, শক্তি দিয়েছে
বিজয়লক্ষী নারী! ”

সময়ের অনিবার্য দাবী থেকে জাতীয় কবি কাজী নজরুলের অমীয় পংক্তিটি সামনে রেখে একজন ছাত্রী হিসেবে ” ইভটিজিং প্রতিরোধে ছাত্রী সমাজের ভূমিকা কি তা নিয়ে কলম ধরলাম।

আমরা জানি, এ পৃথিবীর জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেকই হল নারী। তাই দেশের প্রতি তাদের যেমন দায়িত্ব রয়েছে তেমনি সমাজেরও রয়েছে তাদের প্রতি অনেক কর্তব্য। আর নারী সমাজের বিশাল একটা অংশ হল ছাত্রী সমাজ। বর্তমানে খুব বেশি লাঞ্চনার শিকার ছাত্রীরাই।
খবরের কাগজ এবং মিডিয়াতে যার কোনো না কোনো নিদর্শন আমরা প্রায় প্রতিদিন অবলোকন করি। মাঝে মাঝে দেখতে পাই ইভটিজিং এর বিপক্ষে সরকার ঘোষিত হরেক রকম কর্মসূচি। যেমন মানব বন্ধন, সাধারণ সভা, আলোচনা সভা, প্রতিবাদ সমাবেশ, ইত্যাদি ইত্যাদি।

কিন্তু প্রশ্ন হলো—এতো এতো প্রতিবাদ, মানব বন্ধন, সভা সমাবেশ দিয়ে কি ইভটিজিং এর মত সামাজিক ব্যাধি বন্ধ করা যায়? বর্তমানে মানুষ যত বেশি শিক্ষিত হচ্ছে ততবেশি মুসলিম সভ্যতাকে পিছনে ফেলে আধুনিক সভ্যতার দোহাই দিয়ে নিজেদের সম্মান মর্যাদা ভুলন্ঠিত করে দিচ্ছে। আর যারা তথাকথিত আধুনিকতার ধরা ছোঁয়া থেকে নিজেদের দূরে রেখে ইসলামী সীমারেখার মাঝে আধুনিকতাকে লালন করে যাচ্ছে তারাই অপরাধী সাব্যস্ত হয়ে হয়ত দিনের পর দিন সমাজের কাছে দুষী নয়ত সমাজ বিচ্ছিন্ন হয়ে একাকার ভাবে জীবনযাপন করছে।

বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে জন্ম গ্রহণ করেও আমরা অনেক সময় দেখতে পাই ছাত্রীরা বোরখা পরে আমাদের প্রিয় ক্যাম্পাসে যেতে চাইলে অনেক বাঁধার সম্মুখীন হতে হয়। পারছিনা খুব বড় বড় ডিগ্রী নিয়েও পর্দার গুরুত্ব বুঝতে। আমরা পারছিনা কোরআন হাদীস ভালো করে বুঝতে। যদিও আমরা প্রতিযোগিতার বাজারে অনেক বেশি বিলাসিতার জোয়ারে ভাসছি। তবুও আমরা বিশাল সমুদ্রের রাশি রাশি পানির সমতুল্য পরকালীন জীবন নিয়ে একটুও ভাবছিনা। অথচ পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা সুরা ইমরানের ১৪ নাম্বার আয়াতে বলেন, নারীগন, সন্তান সন্ততি, রাশিকৃত স্বর্ণরোপ্য, ঘোড়া, গবাদি পশু, কৃষি ক্ষেত্রের কামনা, ভালোবাসা মানুষের জন্য সুশোভিত করা হয়েছে! এসব হচ্ছে পার্থিব জীবনের ভোগ সামগ্রী!
আর আল্লাহর কাছে রয়েছে উওম আশ্রয়ের স্হল।
কিন্তু,বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমাদের সমাজ ইভটিজিং এর জন্য এই সমাজের বখাটে মাস্তান ছেলেদের দায়ী করে!পাঠক সমাজ আমার সাথে কতখানি একমত হবেন তা জানি না। তবে আমি মনে করি এর জন্য আমরা ছাত্রী সমাজ দায়ী। আমরা যদি একটু সচেতন হই তাহলে ইভটিজিংয়ের মত ব্যাধি থেকে বাঁচতে পারি এবং সমাজকেও বাচাঁতে পারি।কিন্তু দূর্ভাগ্য হলো আমরা এমন দেশে জন্ম গ্রহন করেছি, যে দেশের ছাত্রী বা নারীরা পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সমাজ সব জায়গায় নৈতিক শিক্ষার ধরা ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত। যে দেশের ছাত্রী বোরখা আর নেকাব পরার অপরাধে বহিষ্কৃত হয় ক্লাস অথবা হল থেকে।যে দেশের জ্ঞানী,পন্ডিতরা ব্যাক্ত করে বলেন, গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে বোরখা বিক্রির হার বেড়েছে। আবার এমন মানুষদের, দ্বারা যারা ইভটিজিং বন্ধের জন্য মানব বন্ধন করে। আর মানব বন্ধন করে তারাই আবার ইভটিজিং করে, অথবা তারাই ইভটিজিংয়ের শিকার হয়। অথচ প্রকৃত পর্দানশীল নৈতিক চরিত্রের অধিকারী কোনো মেয়েকে আমি ইভটিজিং এর শিকার হতে দেখিনি। শিকারতো কেবল তারাই হয়, যারা খোদাভীতিকে উপেক্ষা করে “খাও দাও পুর্তি কর, দুনিয়াটা মস্ত বড় “এ স্লোগানে বিশ্বাস করে পথ চলে।

জাকিয়া সুলতানা
সুনামগঞ্জ


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন