• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ২৪১ বোতল বিদেশী মদসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯ ছাতকে দাখিল পরিক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় দোয়া মাহফিল হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জ ও জামালগঞ্জে গণ-সমাবেশ ভুয়া “ভূমিহীন” পরিচয়ে খাস জমি দখলের হিড়িক: আমদাবাদে ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ হুমকির মুখে পাইকগাছায় তাঁতীদলের সভাপতি শিমুলের বিরুদ্ধে ঘর দখলের অভিযোগ সুনামগঞ্জে জুলাইযোদ্ধা জহুর আলীকে খুন করার হুমকি দিল লীগ সন্ত্রাসী নিজাম উদ্দিন, পর্ব-২ সুনামগঞ্জ শান্তিগঞ্জের পূর্ব বিরগাঁও’এ ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে চাপ, না মানায়—পা ভাঙল যুবকের ইরান যু/দ্ধে/র প্রভাবে কনডমের দাম বাড়তে পারে ভারতে লাউড়েরগড়ে যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালু-পাথর উত্তোলন, হুমকিতে শতাধিক পরিবার সুনামগঞ্জে জুলাইযোদ্ধাকে গলা কেটে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি
প্রকাশ : September 5, 2022

কুড়িগ্রাম জেলায় ফুলবাড়ীতে ধরলার তীব্র ভাঙ্গনে বদলে যাচ্ছে মানচিত্র

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ৩৫০ জন পড়েছে
আপডেট : সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২

 মোঃশাহজাহান খন্দকার কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

০৫প্টেম্বর ২০২২ সোমবার

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বন্যা পরবর্তী ধরলা নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে বড়ভিটা ইউনিয়নের পূর্ব ধনিরাম ও পশ্চিম ধনিরাম গ্রামের বিস্তৃর্ণ এলাকা। অব্যাহত ভাঙ্গনে নদী গিলছে যাতায়াতের রাস্তা, বসতভিটা, ফসলি জমি। ধরলার কড়াল গ্রাসে দিনেদিনে পাল্টে যাচ্ছে পূর্ব ধনিরাম ও পশ্চিম ধনিরাম গ্রামের মানচিত্র।সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে- ধরলার তীব্র ভাঙ্গনে স্থানীয় বাসিন্দাদের বসতবাড়ি, যাতায়াতের রাস্তা ও ফসলি জমি ধরলায় গিলে খাচ্ছে। ভাঙ্গন কবলিত গ্রাম দুটির বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম (৪৭), মতিয়ার (২৮),ছাইফুল (৫৫), মজিবর রহমান(৩৮), মোস্তফা সরকার (২৭) বলেন- ধরলার অব্যাহত ভাঙ্গনের ফলে আমরা সর্বশান্ত হয়ে যাচ্ছি। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে আমাদের গ্রামের ৬ জনের বসতবাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ১০০০ বিঘার মতো আবাদি জমি ধরলার পেটে চলে গেছে। আমাদের যাতায়াতের প্রায় ২ কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা নদীতে বিলীন হয়েছে। আমাদের এখন জমির আইল দিয়ে চরম ভোগান্তি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ভাঙ্গনের হুমকিতে রয়েছে চর ধনিরাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার বিদ্যালয়টি ভেঙ্গে নিলে বাচ্চাগুলোর কি হবে, কোথায় পড়বে তারা?ধরলার ভাঙ্গনে বসতবাড়ি হারানো হাফেজা বেগম বলেন, দীর্ঘদিনেও ভাঙ্গনরোধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ার ফলে আমরা আজ নিঃস্ব। আমার স্বামীর নিজস্ব কোন জমিজমা নাই। মামা শ্বশুর আমাদের বাড়ি করার জন্য ১০শতাংশ জমি দিয়েছিল তাও নদীতে বিলীন হয়েছে। এখন সন্তানদের নিয়ে কোথায় থাকবো?
নূর মোহাম্মদ (৬৫) বলেন, আমার সাত বিঘা ফসলি জমি ছিল। তাতে চাষাবাদ করে সংসার চালাতাম। ধরলার ভাঙ্গন রোধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় আমার সমস্ত জমি নদীর পেটে চলে গেছে। আজ আমি নিঃস্ব। খাব কি, থাকবো কোথায়? আমার মত এখানে অনেকেই জমিজমা হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে।
ধরলার তীব্র ভাঙ্গনে ভিটেমাটি হারা জোবেদ আলী, কোরবান আলী, শহর উদ্দিন, দেলোয়ার মিয়া, ফুলবর রহমান, জব্বার আলী অভিযোগের সুরে বলেন- শুনেছি ধরলার ভাঙ্গনরোধে সরকার মোটা অংকের টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ভাঙ্গন রোধে কোন কাজ কেউ করে নি। যারা কাজ পেয়েছে তারা নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে। আর এদিকে আমরা ভিটেমাটি হারাচ্ছি। ভাঙ্গনরোধে ব্যবস্থা নিলে আজ আমাদের বাপ-দাদার ভিটেমাটি হারাতে হতো না। আসলে আমাদের সীমাহীন দুঃখ-দুর্দশা দেখার কেউ নেই! বলেন তারা।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন দাস বলেন, ওই এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করে ভাঙ্গনরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন