• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
নাসিরনগরে সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলা-আহত ৬ সুনামগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রী ছাদিয়া নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার জামালগঞ্জে আওয়ামীলীগ কর্মী এখন বিএনপির কমিটিতে গণঅভ্যুত্থানে সাহসী সাংবাদিকতার জন্য সম্মাননা পেলেন সুনামগঞ্জের সাংবাদিক আল হেলাল জুলাই-২০২৪ এ গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা মাহফিল সম্পন্ন দেশ প্রেমের আদর্শে উজ্জীবিত নক্ষত্রের নাম নুরুল ইসলাম বাবুল কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন, মনিটরিং ও প্রান্তিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কার ২০২৫ পেলেন শাহরিয়ার হাসান মৃধা রাতুল সুনামগঞ্জ-৪ আসনে তৃণমুলের প্রস্তাবে জমিয়তের একক প্রার্থী মাওলানা মুখলিছুর রহমান চৌধুরী সুনামগঞ্জ পৌর জমিয়তের প্রার্থী বাছাই মতবিনিময় সভা সম্পন্ন
প্রকাশ : October 10, 2022

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে আবারও আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করলেন ডাক্তার বাহার

 

বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো চীফ

সিটি মেয়র ও শেখ হারুনের বিরুদ্ধে!!

খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনের বাকি মাত্র হাতে গোনা কয়েক দিন তার মধ্য ঘনীভূত হচ্ছে বিরোধী দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর একের পর এক আচারণবিধি লংঘনের অভিযোগ।

গত ৩ তারিখে নির্বাচনী মতবিনিময় সভার মাধ্যমে সিটি মেয়র উপস্থিত সকল ভোটারদের উদ্দেশ্য করে অনৈতিক বক্তব্যের মাধ্যমে সরকারদলীয় প্রার্থী শেখ হারুনুর রশিদের পক্ষে ভোট আদায়ের কটাক্ষ আচরণের ক্ষিপ্ত হয়ে।
সাবেক ছাত্রনেতা বর্তমান জেলা পরিষদের স্বতন্ত্র প্রার্থী এসএম মোর্তুজা রশিদী দারা এক লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে সকল অভিযোগের বর্ণনা তুলে ধরে নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার ও খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান তালুকদার বরাবর অভিযোগ পত্র জমা দেন।

তবে সে অভিযোগের কোনো কাঙ্খিত আশাব্যঞ্জক সুফল না পাওয়ার ক্ষেত্রে আজ আর এক জেলা পরিষদ নির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং খুলনা বিএমএর সদ্য নির্বাচিত সভাপতি ডাক্তার বাহারুল আলম আজ ১০ অক্টোবর সোমবার বেলা ১১ টায় অনুরূপ অভিযোগপত্র জমা দেন নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মনিরুজ্জামান তালুকদার বরাবর।

ডাক্তার বাহার বলেন নির্বাচন একটি রাষ্ট্রীয় গণতান্ত্রিক অবকাঠামো তাই খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে সরকারদলীয় একজন প্রার্থী ছাড়া বিরোধী কোনো প্রার্থী না থাকার কারণে।
আমরা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেছি।

সেই ক্ষেত্রে সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক ও হারুনুর-রশিদ নির্বাচনী প্রার্থী হয়ে ও নির্বাচনের আইন লংঘন করেছেন।

তারই প্রেক্ষিতে তিনি উল্লেখ করেছেন গত ৩ অক্টোবর খুলনা ক্লাবে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক সহ বিভিন্ন সরকারি সুবিধাভোগী অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা প্রকাশ্য আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা করেছেন।
এবং খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক তার বক্তব্য ভোটারদের ইঙ্গিত করে এক ধরনের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
এবং তাদের পক্ষে ভোট না দিলে পরিণতি কি হতে পারে তার একটি উদাহরণ দিয়েছেন।

তিনি আরো উল্লেখ করেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ হারুনুর রশিদ কথিত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত থেকে সভাপতিত্ব করেছেন। অর্থাৎ তিনি অনেকের মধ্যে মত বিনিময় সভার একজন সক্রিয় অংশীদার। তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়া সত্বেও কথিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশীদ নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করেছেন।
তাই এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অতি আবশ্যক।

প্রসঙ্গত ৩ অক্টোবর খুলনা ক্লাবে জেলার ৯ উপজেলার ইউপি চেয়ারম্যান সদস্যসহ জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটারদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন করে স্থানীয় আওয়ামী লীগ।
এদিকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান প্রার্থী শেখ হারুনুর রশিদের সভাপতিত্বে সভায় সিটি মেয়র প্রধান অতিথি এবং খুলনার ৬ জন সংসদ সদস্য বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

তবে আজকে অভিযোগপত্র জমা দানকালে এ বিষয়ে জানতে কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এর মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি বলে জানান চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থীর ডাক্তার বাহারুল আলম।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন