মোঃ আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বিপুল ভোটে নির্বাচিত ও গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে বলিষ্ট ভূমিকা রাখছেন মান্নারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো ইজ্জ্বত আলী। কর্মসূজন কর্মসূচী এবং কাবিখা প্রকল্প না থাকায় ধীর গতিতে অবকাঠামো উন্নয়ন হচ্ছে। এলজিএসপি ও টিআর প্রকল্প দিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূণ রাস্তাঘাট বাস্তবায়নের পথে। ইউনিয়নের অধীনস্থ হাট বাজার কিংবা জলমহাল না থাকায় স্বল্প পরিমান রাজস্ব দিয়ে উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, উন্নয়ন খাতের টাকা দিয়ে ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে কালভার্ট নির্মাণ, এলজিএসপির বরাদ্দ দিয়ে বাজারের গুরুত্বপূণ রাস্তা নির্মাণ। সদস্যরা নিজেরাই প্রকল্পের বিভিন্ন কাজ বাস্তবায়ন করেন। মান্নারগাঁও ইউনিয়নে পিআইসিরা শতভাগ কাজ করে বিল উত্তোলন করছেন। ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য দীপক দাস বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব দায়িত্বভার নেওয়ার পর থেকে তিনি নিজে সকল মেম্বারদের ডেকে ভিজিএফ,ভিজিডি বিতরণ করেছেন। আমরা সদস্যরা কোন দিন চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে আয়-ব্যয়ের হিসেব চাইনি। কিন্তু তিনি নিজেই সবার সম্মুখে আমাদেরকে হিসেব দেন। পরিষদের সবাইকে নিয়ে আমাদের একটি পরিবার এবং পরিবারের অভিভাবক হলেন চেয়ারম্যান সাহেব। আমাদের মধ্যে যদি ভুল বোঝাবুঝি হয় । তাহলে চেয়ারম্যান সাহেব আমাদেরকে নিয়ে বসে নিষ্পত্তি করে দেন। আগামী দিনগুলো যাতে চেয়ারম্যান সাহেবকে নিয়ে সুন্দর ভাবে কাটাতে পারি দোয়া করবেন। মান্নারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ড সদস্য ফরহাদ আলম বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যা যা বরাদ্দ আসে তিনি আমাদেরকে বন্টন করে দেন। আমাদের নিমাণ কাজে তিনি বিনিময় না নিয়ে নিজের পকেটের টাকা খরচ করে প্রতিনিয়ত তদারকি করেন। ১,২,৩ নং ওয়ার্ড সদস্যা লাভলী বেগম বলেন, এলজিএসপি ও টিআর প্রকল্পের যা কিছু বরাদ্দ এসেছে উনি সবাইকে সমান ভাবে বন্টন করে দিয়েছেন আমাদের মধ্যে। উনি খুবই ভালো মানুষ। আমাদের ইউনিয়নে মারামারির কোন ঘটনা ঘটলে তিনি খুব দ্রুত বিরুধ নিষ্পত্তি করে দেন। সংরক্ষিত (১,২,৩)নং ইউপি সদস্য বিউটি রাণী দাস বলেন, আমাদের ইউনিয়নে হাটবাজার ও জলমহাল না থাকায় রাজস্ব অনেক কম। জন্ম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে চেয়ারম্যান সাহেব শুধু সরকারি ফ্রি ৫০ টাকা নেন। প্রায় ইউনিয়নে শতভাগ ট্র্যাক্স পরিশোধ করে জন্ম নিবন্ধন ও নাগরিক সনদ দেয়। সংরক্ষিত ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ড সদস্য সামছুননাহার বেগম বলেন, চেয়ারম্যান সাহেবের কাছে যা কিছুই আসে আমরা সঠিক ভাবে পাই। বন্যার সময় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য যে সমস্ত সাহায্য এসেছিল চেয়ারম্যান সাহেব আমাদেরকে সঙ্গে নিয়ে বিতরণ করেছেন। ৯ নং ওয়াড সদস্য বাছির উদ্দীন বলেন, আমাদের ইউনিয়নে প্রায় ৬০ ভাগ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস করে। চেয়ারম্যান সাহেব নিজের জন্য কিছু না রেখে সবই আমাদের মধ্যে বন্টন করে দেন। যাতে সঠিক ভাবে দরিদ্ররা ভিজিএফ, ভিজিডি, টিসিবির মালামাল পায়। ৬নং ওয়াড সদস্য নজরুল ইসলাম বলেন, চেয়ারম্যান সাহেব গড়িব মানুষ হলেও টাকার প্রতি লোভ লালসা নেই। তিনি সব সময় দরিদ্র,অসহায় লোকদের পাশে থেকে সাহায্য করেন। বন্ধের দিনেও তিনি অফিস করেন। উনার জন্য দোয়া করবেন। মান্নারগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইজ্জ্বত আলী বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মা জননী শেখ হাসিনা আমার ইউনিয়নের গড়িব,অসহায় ও দুস্থদের মধ্যে অনেক উপহার দিয়েছেন। বন্যা কালীন সময়ে মাননীয় সংসদ সদস্য মহিবুর রহমান মানিক ভাই আমার ইউনিয়নে সবার আগে ত্র্যান পৌছে দিয়েছেন। দোয়ারা বাজার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও নিবাহী অফিসার মহোদয় আমার ইউনিয়নের ভূমিহীনদের জন্য গৃহ নিমান করে দিয়েছেন। তাদের কাছে সরকারি কোন অনুদান আসলে যথা সময়ে বরাদ্দ পাই। আমি উনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।