মো. আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
জামালগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের ৪ জন আহত হয়েছেন। ১২ সেপ্টেম্বর ( সোমবার) দুপুরে উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের চান্দারনগর গ্রামস্থ প্রতিপক্ষ হিরণ মিয়ার বসতবাড়ির সামনের রাস্তায় ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলেন, নুর রহমানের স্ত্রী নবীন নাহার বেগম (৫৫) ছেলে লাহিন মিয়া (২৫), তোফায়েল আহমদ (২০), মেয়ে সুনিয়া বেগম (১৭)। গুরুত্বর আহত নবীন নাহার ও লাহিন মিয়াকে প্রথমে জামালগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করেছেন। বর্তমানে আহতরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। অন্যান্যরা জামালগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় লাহিন মিয়া বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগ মাধ্যমে জানা যায়, ঘটনার দিন দুপুরে আহতরা ঠেলাগাড়ি নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের শরীরে লেগেছে বলেই লাহিন মিয়াকে গালিগালাজ করে। পরে আশপাশের লোকজন উভয় জনকে মিলিয়ে দেন। পরবর্তীতে লাহিন মিয়া নিজ বাড়ি ফেরার পথে হিরণ মিয়া, সুহেল মিয়া, শাহজাহান মিয়া, আলেয়া বেগম গংরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত ও হাড় ভাঙ্গা জখম করেছে। আহত নবীন নাহার বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে হিরণ মিয়া গংরা আমার পরিবারের সদস্যদের কুপিয়েছে। এখন আবার মোবাইল ফোন দিয়ে আমার পরিবারকে মামলা না করার জন্য হুমকি দিচ্ছে। হিরণ মিয়া গংদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানাচ্ছি
জামালগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জেরে হামলায় আহত ৪ মামলা দায়ের
মো. আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
জামালগঞ্জে পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের ৪ জন আহত হয়েছেন। ১২ সেপ্টেম্বর ( সোমবার) দুপুরে উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের চান্দারনগর গ্রামস্থ প্রতিপক্ষ হিরণ মিয়ার বসতবাড়ির সামনের রাস্তায় ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলেন, নুর রহমানের স্ত্রী নবীন নাহার বেগম (৫৫) ছেলে লাহিন মিয়া (২৫), তোফায়েল আহমদ (২০), মেয়ে সুনিয়া বেগম (১৭)। গুরুত্বর আহত নবীন নাহার ও লাহিন মিয়াকে প্রথমে জামালগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে শারিরীক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জেলা সদর হাসপাতালে রেফার করেছেন। বর্তমানে আহতরা সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। অন্যান্যরা জামালগঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় লাহিন মিয়া বাদী হয়ে বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। অভিযোগ মাধ্যমে জানা যায়, ঘটনার দিন দুপুরে আহতরা ঠেলাগাড়ি নিয়ে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের শরীরে লেগেছে বলেই লাহিন মিয়াকে গালিগালাজ করে। পরে আশপাশের লোকজন উভয় জনকে মিলিয়ে দেন। পরবর্তীতে লাহিন মিয়া নিজ বাড়ি ফেরার পথে হিরণ মিয়া, সুহেল মিয়া, শাহজাহান মিয়া, আলেয়া বেগম গংরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত ও হাড় ভাঙ্গা জখম করেছে। আহত নবীন নাহার বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে হিরণ মিয়া গংরা আমার পরিবারের সদস্যদের কুপিয়েছে। এখন আবার মোবাইল ফোন দিয়ে আমার পরিবারকে মামলা না করার জন্য হুমকি দিচ্ছে। হিরণ মিয়া গংদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানাচ্ছি