মোঃআব্দুস শহিদ সুনামগঞ্জ স্টাফরিপোর্টারঃ
তাহিরপুরে পূর্ব বিরোধের জের ধরে আমিরুর ইসলাম এবং আইয়ুব আলীর মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে। ২২ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) উপজেলার শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের আমির আলীর বসতবাড়ির সামনে ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মো আবুল হোসেন খাঁনের ছেলে আবুল কালাম খাঁন (৪৫) একই গ্রামের বায়োবৃদ্ধ কালন মিয়া (৬৫), ছদরুল মিয়া (২২), শাকিল আহমদ (২৪), এমদাদুল হক (৪৫), মুছা মিয়া (২৩)। গুরুত্বর আহত কালন মিয়াকে কর্তব্যরত ডাক্তার উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেছেন। আবুল কালাম ও ছদরুল মিয়াকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্যদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক¯্র ভর্তি করা হয়। তাহিরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদশন করে কাউকে আটক করতে পারেনি। অভিযোগ মাধ্যমে জানা যায়, ২১ সেপ্টেম্বর (বুধবার) আমিরুল ইসলাম ও আইয়ুব আলীর মধ্যে মারধরের ঘটনা ঘটলে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য আবুল হোসেন খানের কাছে বিচার প্রার্থী হয়। নিষ্পত্তি করার আগেই মেম্বার আমির আলী বাহিনীরা দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে বাড়ির সামনে উৎপেতে থাকে। প্রতিপক্ষ আবুল কালাম ফারুল আমির আলীর বাড়ির সামন দিয়ে বাজারে আসার পথে তাকে খুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। ফারুলের পরিবারের সদস্যরা হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসলে তাদেরকেও খুপিয়ে জখম করে আমির আলী। আহত আবুল কালাম বলেন, আমিরুল ইসলাম এবং আইয়ুব আলী মারামারি করেছে। কিন্তু আমির আলী আমাদের উপর কেন হামলা চালিয়েছে জানি না। আমির আলীর সাথে আমাদের কোন বিরোধ নেই। বর্তমানে আমাদের পরিবারের কোন লোকজন প্রয়োজনীয় কাজে বাজারে প্রবেশ করতে পারছে না। নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমির আলী বলেন, আমাকে গালাগালি করেছে। তাই তাকে শায়েস্তা করেছি। শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হায়দার বলেন, মারামারির খবর পেয়ে আমি দ্রæত ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত আবুল কালাম ফারুল পক্ষকে পেয়েছি। অপর পক্ষ পালিয়ে যায়। আবুল কালাম ফারুল পক্ষের ৬ জন এবং আমির পক্ষের ২ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। উভয় পক্ষের লোকজন সুস্থ্য হওয়ার পর নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করব। তাহিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জানান, আহত আবুল কালাম ফারুল পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।