• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:১০ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
ঠিকাদারের পক্ষে ফরমায়েসী সংবাদের প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন তফসিলের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পোস্টার, ব্যানার না সরালে ব্যবস্থা মধ্যনগরে সংবাদ সম্মেলন করে দল ছাড়লেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক- ফরিদ মিয়া সুনামগঞ্জে বিএনপির ফাঁকা ২ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো:রতন শেখ পিপিএম সুনামগঞ্জে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী জমকালো আয়োজনে পালিত সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ৯১ বোতল বিদেশী মদসহ ০১ জন গ্রেফতার জামালগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহত সিএনজি চালকসহ ৩জন আহত মধ্যনগরে যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেনের মায়ের ইন্তেকাল: যুবদলের শোক সুনামগঞ্জের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল বাসারের ইন্তেকাল
প্রকাশ : October 16, 2022

দেশজুড়ে ৬১ টি জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোট যুদ্ধ প্রতীক্ষার বাকি মাত্র কয়েক ঘন্টা!!

 

বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো চীফঃ

সকল প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আর মাত্র কয়েক ঘন্টা পরে দেশব্যাপী ৬১ টি জেলা পরিষদের একযোগে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ইতিমধ্যে ইসি কর্তৃক জেলা রিটার্নিং অফিসারের মাধ্যমে জেলাগুলির সকল ভোটকেন্দ্র গুলো ভোট গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।
এবং জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে ইভিএমের মাধ্যমে।

সারাদেশ যেমন-তেমন খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সরকার মনোনীত প্রার্থী খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক এর বিরুদ্ধে নির্বাচন সংবিধান লঙ্ঘনে বিরোধী আচরণের ক্ষেত্রে চলছিল জল্পনা-কল্পনা অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ।
মদবিরোধসহ সাংবাদিক সম্মেলনের পাশাপাশি নানান কর্মসূচি এমনকি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান তালুকদার বরাবর সরকারদলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র পর্যন্ত জমা দেওয়া হলেও।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনারের পূর্ব ঘোষিত তারিখ অনুযায়ী আগামীকাল ১৭ অক্টোবর সোমবার সকাল
৮ টা থেকে যথারীতি ভাবে ভোট গ্রহণ চলবে বলে জানালেন খুলনার নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদার।

এদিকে জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র থেকে জানিয়েছে নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে
৩ জন ৯ টি সাধারণ সদস্য পদে ২৮ এবং ৩ টি সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। নির্বাচনে মোট ভোটার ৯৭৮ জন। তারা হলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ৩১ কাউন্সিলর সংরক্ষিত কাউন্সিলর ৬৮ ইউপি চেয়ারম্যান ৯ উপজেলা চেয়ারম্যান ১৮ ভাইস-চেয়ারম্যান সব সাধারন সংরক্ষিত ও ইউপি সদস্য ।
তবে ৯ টি তেনয় ১০ কেন্দ্রেই ভোট হবে। ভোট কেন্দ্রগুলো খুলনা জেলা স্কুল রুপসা উপজেলা ভূমি অফিস দিঘলিয়া উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয় বটিয়াঘাটা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ফুলতলা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন ডুমুরিয়া শহীদ যোবায়েত আলী মিলনায়তন পাইকগাছা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন কয়রা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন ও চালনা বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়।

ভোটকেন্দ্রগুলোতে ১০ জন প্রিজাইডিং অফিসার ২০ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ৪০ জন পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালন করবেন ইভিএম পদ্ধতিতে জেলা পরিষদের ভোট গ্রহণ করা হবে।

সবচেয়ে বড় আলোচ্য বিষয় হচ্ছে খুলনায় ভোট যুদ্ধে অংশগ্রহণ করছে খুলনার শাসকদলের হেভিওয়েট
৩ প্রার্থী আর ৩ জনের বংশীয় পরিচয় হিসেবে ৩ শেখের অংশগ্রহণের ১৭ অক্টোবর খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে ভোটযুদ্ধ অংশগ্রহণ করলেও
খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছেন চেয়ারম্যান প্রার্থীরা।
২ স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণা লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে।

অপরদিকে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বলছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন।

এদিকে দলীয় প্রার্থী শেখ হারুনুর রশিদ শতভাগ আশাবাদী হয়ে বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিয়েছেন আমি আশা করছি ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হব। তিনি এটাও বলেন অন্য দুই প্রার্থী ৫ থেকে ১০ ভাগ ভোট পেতে পারেন।

এস এম মর্তুজা রশিদী দারা বলেন ভীষণ ব্যস্ত সময় পার করেছি ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা করেছি আশা করছি ভোটাররা আগামীকাল মহামূল্যবান ভোটের মাধ্যমে আমাকে মূল্যায়ন করবেন।

এদিকে আগামীকাল খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনের ১০ টি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন কেন্দ্রে মোবাইল ফোনসহ সব ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ করা ইভিএম বুথে ভোটার ব্যতীত অন্য কাউকে প্রবেশ করতে না দেওয়া এবং ভোট কেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ডাক্তার শেখ বাহারুল আলম।
সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে বিএমএ মিলনায়তনে সম্মেলনে তিনি এ দাবি জানান। ডাক্তার বাহার সাংবাদিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের আরও বলেন ক্ষমতাসীন ব্যক্তিরা বিভিন্নভাবে ভোটারদের হুমকি দিচ্ছেন। তারা ভোটারদের সঙ্গে করে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যাবে এবং তাদের উপস্থিতিতে ভোট প্রদান করতে হবে বলে হুমকি জারি রেখেছেন। সেক্ষেত্রে আমরা উদ্বিগ্ন এবং শংকিত ভোটাররা সঠিকভাবে সঠিক জায়গায় ভোট প্রয়োগ করতে পারবেন কিনা এটা নিয়ে আমরা মহা চিন্তিত।
তবে খুলনা জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে যে তিনজন নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন তারা ৩ জনেই একই গোত্র শেখ পরিবারের।
তার মধ্যে প্রথমজন রয়েছে সাবেক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সরকারদলীয় প্রার্থী শেখ হারুনুর রশীদ তিনি (মোটরসাইকেল) প্রতীক নিয়ে খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন।

অপর দুইজন স্বতন্ত্র বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী তানারাও শাসকদলীয় হেভিওয়েট প্রার্থী। একজন সাবেক খুলনা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ ও মরহুম সাবেক সাংসদের হুইপ এসএম মোর্তজা রশিদী সুজার ছোট ভাই শেখ মোহাম্মদ মর্তুজা রশিদী দারা তিনি চশমা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করছেন।

এবং অপর আর একজন তিনি ও খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সম্পাদক ও বর্তমান বিএমএ খুলনা শাখার নবনির্বাচিত সভাপতি ডাক্তার শেখ বাহারুল আলম।
তিনি আনারস প্রতীক নিয়ে খুলনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে লড়ছেন।

নির্বাচন রিটার্নিং অফিসার ও খুলনা জেলা প্রশাসক মোঃ মনিরুজ্জামান তালুকদারের নিকট নির্বাচনের সার্বিক বিষয় ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমার পক্ষ থেকে যথাযথ কঠোর পদক্ষেপের মধ্য দিয়ে নির্বাচন পরিচালনা করার জন্য সর্ব দিক পর্যালোচনা করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বোচ্চ ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন