কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বৃহত্তর সিলেটের পাথর সংশ্লিষ্ট জীবিকা নির্বাহকারী ব্যবসায়ী শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ বলেছে- সিলেটের পাথর কোয়ারী বন্ধ থাকায় এ অঞ্চলের লাখো মানুষ রোজগারহীন অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সিলেটের প্রধানতম কর্মক্ষেত্র পাথর কোয়ারী যেখানো লাখো মানুষ যুগ যুগ ধরে পাথর আহরন করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। বিগত চার বছর ধরে মানুষের এ রোজগারস্থল বন্ধ থাকায় এ অঞ্চলের সামগ্রিক জীবনে অচলাবস্থা বিরাজ করছে। রাষ্ট্রীয় কোষাঘারের ডলার খরচ করে পাথর আমদানী করার মাধ্যমে জাতীয় ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। অথচ আমাদের পাথর কোয়ারী সচল থাকলে একদিকে যেমন রিজার্ভের ডলারের সাশ্রয় হতো অপরদিকে এ অঞ্চলের মানুষের জীবন জীবিকা সহজতর হতো। ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্থানীয় ধোপাগুল এলাকায় পাথর কোয়ারী খোলে দেয়ার দাবীতে অনুষ্ঠিত ব্যবসায়ী শ্রমিক ঐক্য পরিষদের সভায় বক্তারা উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। বিমানবন্দর থানা পাথর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি হাজী নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে ও ঐক্য পরিষদের সদস্যসচিব নুরুল আমিনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট বিভাগীয় ট্রাক ট্যাংকলরি কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম হাদী ছয়ফুল।বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী নেতা মন্তাজ আলী, সাংবাদিক শাব্বির আহমদ, সৈয়দ সালেহ আহমদ শাহনাজ, আজির মিয়া, শ্রমিক নেতা লাল মিয়া, প্রমুখ। সভায় পাথর কোয়ারী খোলে দেয়ার দাবীতে আন্দোলনের বিভিন্ন কর্মসূচির রুপরেখা প্রনয়ন করা হয়। এসব কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ, গণসংযোগ, ও চুড়ান্ত কর্মসূচি হিসেবে সর্বাত্মক ধর্মঘট। সভায় বক্তারা সিলেটবাসীর অস্তিত্বের স্বার্থে পাথর কোয়ারী খোলে দেয়ার আন্দোলনে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহবান জানান।