• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ২৪১ বোতল বিদেশী মদসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯ ছাতকে দাখিল পরিক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় দোয়া মাহফিল হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জ ও জামালগঞ্জে গণ-সমাবেশ ভুয়া “ভূমিহীন” পরিচয়ে খাস জমি দখলের হিড়িক: আমদাবাদে ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ হুমকির মুখে পাইকগাছায় তাঁতীদলের সভাপতি শিমুলের বিরুদ্ধে ঘর দখলের অভিযোগ সুনামগঞ্জে জুলাইযোদ্ধা জহুর আলীকে খুন করার হুমকি দিল লীগ সন্ত্রাসী নিজাম উদ্দিন, পর্ব-২ সুনামগঞ্জ শান্তিগঞ্জের পূর্ব বিরগাঁও’এ ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে চাপ, না মানায়—পা ভাঙল যুবকের ইরান যু/দ্ধে/র প্রভাবে কনডমের দাম বাড়তে পারে ভারতে লাউড়েরগড়ে যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালু-পাথর উত্তোলন, হুমকিতে শতাধিক পরিবার সুনামগঞ্জে জুলাইযোদ্ধাকে গলা কেটে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি
প্রকাশ : September 7, 2022

প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে ছেলের হাতে বাবা খুন,পুলিশের চাঞ্চল্যকর তথ্য

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ৩৫৬ জন পড়েছে
আপডেট : বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২

 

মো:সাব্বির হোসেন রনি
গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি:

জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরের বৈষ্ণবদাস গ্রামের মো. জাহিদুল ইসলাম নিজেই অন্যদের সাথে মিলে তার বাবা সেকেন্দার আলী বাদশাকে হত্যা করেছেন। পিবিআই তদন্তে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) গাইবান্ধা পুলিশ সুপার এ আর এম আলিফ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তুলে ধরেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষ পাঁচ প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে মামলা করেন জাহিদুল ইসলাম। সে সময় তিনি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি প্রদানেরও অভিযোগ করেন। ২০১৮ সালের ৪ মে সকালে জাহিদুল ইসলামের বাবা মো. সেকেন্দার আলী বাদশা বাড়ির পাশে খুন হন। পরবর্তীতে পিবিআই তদন্ত করে জানতে পারে এই ঘটনার সাথে পাঁচ প্রতিবেশী নয়, তার নিজের ছেলে জাহিদুল ও একই এলাকার জামাত আলী, আব্দুল মান্নাফ, আবুদল আজিজ জড়িত। পিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার আসামি জামাত আলী চলতি বছরের ৪ সেপ্টেম্বর আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পুলিশ সুপার আরও বলেন, ছেলের পরিকল্পনা অনুযায়ী ওই চার আসামি সেকেন্দার আলী বাদশাকে একটি বাঁশ ঝাড়ে নিয়ে গিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা চালালে তিনি জ্ঞান হারান। তাকে মৃত ভেবে আসামিরা চলে গেলেও পরদিন কৌতূহলবশত বাঁশ ঝাড়ে ফিরে গিয়ে বাদশাকে মুমূর্ষু অবস্থায় দেখেন। এ সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি তাদের দেখে ফেললে তারা বাদশাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিজ বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানেই তার মৃত্যু হয়। এরপর ছেলে জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে সাদুল্লাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

সংবাদ সম্মেলন চলাকালে নিহতের ছেলে জাহিদুল ইসলাম ও আরেক আসামি আব্দুর আজিজকে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়। তাদের দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে নেয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন