চলমান বাংলাদেশ ডেক্সঃ
আগামী ১৭ই অক্টোবর ২০২২ ইং তারিখ অনুষ্ঠিত ফরিদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচন নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কঠোর নির্দেশনা,
গতো ১৪/০৯/২০২২ ইং তারিখ যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মইনুল হোসেন খান নিখিলের সাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এটি ঘোষণা করা হয়ে।
উক্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সকল যুবলীগ নেতাকর্মীদের কঠোর ভাবে হুশিয়ারি করে বলা হয় কোনো নেতাকর্মী যদি জেলা পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলিয়ো মনোনয়ন প্রাপ্ত প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচন করেন বা নির্বাচন প্রচারণাতে সহায়তা করেন তাহলে কেন্দ্রীয় যুবলীগ তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
এক্ষেত্রে আমাদের ফরিদপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ফারুক হোসেন, কিন্তু এখানে আবার দেখা যাচ্ছে ফারুক হোসেন এর বিপদে মনোনয়ন জমা দিয়েছে যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, আর শাহাদাৎ হোসেনকে সমর্থন দিচ্ছেন ফরিদপুর ৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।
আর নিক্সন চৌধুরীর এই কাজের উপর ফরিদপুর জেএলা আওয়ামী লীগ নরেচরে বসেছে, যেহেতু এমপি নিক্সন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার আত্মীয় সেই খাতিরে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ সরাসরি কিছু না বলে উক্ত বিষয়টি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
উল্লেখ্য এমপি নিক্সন চৌধুরী নিজেও একজন সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এমপি হয়েছে, এমপি হওয়ার পরবর্তীতে তার দ্বারা অনেক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, সব বিষয় নিয়ে জেলা কমিটি নরে চরে বসেন, এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পক্ষ থেকে ১৪ তারিখ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিত দেয়া হয়, আর এতে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে-ই এর বাইরে গিয়ে কাজ করবে তার বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় কমিটি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
উক্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতির পরে এমপি নিক্সন বা শাহাদাৎ এর কোনো রকমের মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি, তবে শাহাদাৎ উক্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তির কোনো তোয়াক্কা না করেই তার নির্বাচন প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে, তবে এমপি নিক্সন চৌধুরীকে এখন আগের মতো প্রচারণা করতে দেখা যাচ্ছেনা।
উক্ত প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের মধ্যে শান্তি বিরাজমান আছে, কেননা এমপি নিক্সন চৌধুরীর বক্তব্যে জেলা কমিটির নেতাকর্মীরা বিব্রতবোধ করেন।