• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
নাসিরনগরে সালিশ বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলা-আহত ৬ সুনামগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রী ছাদিয়া নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার জামালগঞ্জে আওয়ামীলীগ কর্মী এখন বিএনপির কমিটিতে গণঅভ্যুত্থানে সাহসী সাংবাদিকতার জন্য সম্মাননা পেলেন সুনামগঞ্জের সাংবাদিক আল হেলাল জুলাই-২০২৪ এ গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা মাহফিল সম্পন্ন দেশ প্রেমের আদর্শে উজ্জীবিত নক্ষত্রের নাম নুরুল ইসলাম বাবুল কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন, মনিটরিং ও প্রান্তিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করন বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তি পুরস্কার ২০২৫ পেলেন শাহরিয়ার হাসান মৃধা রাতুল সুনামগঞ্জ-৪ আসনে তৃণমুলের প্রস্তাবে জমিয়তের একক প্রার্থী মাওলানা মুখলিছুর রহমান চৌধুরী সুনামগঞ্জ পৌর জমিয়তের প্রার্থী বাছাই মতবিনিময় সভা সম্পন্ন
প্রকাশ : September 13, 2022

বাগেরহাটে হত্যার অপরাধে মৃত্যুদন্ড

 

 

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃসৈয়দ ওবায়দুল হোসেন

বাগেরহাটের কচুয়ায় আয়না বেগম (১৭) নামের এক নারীকে হত্যার অপরাধে আমজাদ খান নামের এক ব্যক্তিকে ফাসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক তপন রায় আসামীর উপস্থিতিতে এই দন্ডাদেশ ঘোষনা করেন। এসময় আসামীকে আরও এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ড প্রদান করেন বিচারক।

দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আমজাদ খান কচুয়া উপজেলার খলিশাখালী উত্তরপাড়া গ্রামের মৃত দলিল উদ্দিন ওরফে ধলু খানের ছেলে। নিহত আয়না বেগম কচুয়া উপজেলার গাবরখালি এলাকার হোসেন আলীর মেয়ে।

 

মামলা সূত্রে জানাযায়, ২০১২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারী কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের খলিশাখালী গ্রামের বাবলু নামের এক ব্যক্তির সুপারি বাগান থেকে অজ্ঞাত নামা এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একইদিন কচুয়া থানায় এ বিষয়ে একটি এজাহার দায়ের করেন কচুয়া থানার সহকারি উপ পরিদর্শক (এএসআই) মিয়ারব হোসেন। অজ্ঞাতনামা এই নারীর পরিচয় ও হতয়াকারীকে শনাক্তে কাজ শুরু করে পুলিশ। ওই বছরের শেষের দিকে পুলিশ আমজাদ খানকে আটক করে। ২০১৩ সালের ০৭ ফেব্রুয়ারি পুলিশ আদালতে আমজাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেন।

 

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আমজাদ খান জানায়, অজ্ঞাতনামা ওই নারীর নাম আয়না বেগম। মুঠোফোনে আয়নার সাথে তার পরিচয় হয়। পরিচয়ের সুবাদে বিয়ে করার শর্তে আমজাদ খান আয়নার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে ওই নারী আমজাদকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়। বউ বাচ্চা থাকায় আমজাদ আয়নাকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানায়। বিষয়টি জানাজানি হলে নিজের ক্ষতি হবে ভেবে আমজাদ ওই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

১২ জন স্বাক্ষির স্বাক্ষ্য ও পুলিশের চার্জশিটের ভিত্তিতে অপরাধ প্রমান হওয়ায় আদালত আমজাদকে মৃত্যু দন্ডাদেশ দেন।

 

এই মামলায় রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী ছিলেন সরকারি কৌশুলী সীতা রানী দেবনাথ। আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন বিদান চন্দ্র রায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন