• ঢাকা, বাংলাদেশ রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
প্রতিশ্রুতি রক্ষা:বিশ্বম্ভপুর দিঘীরপাড় গ্রামে মানুষের সাথে সাক্ষাতে এমপি এড. নুরুল ইসলাম নুরুল সুনামগঞ্জে ৫টিতেই জয়লাভ করলেন বিএনপি-জমিয়ত জোটের প্রার্থীরা সুনামগঞ্জ-০৪: মুফতী শহিদুল ইসলাম পলাশীর ৩১ দফা ‘জনপ্রত্যাশার ইশতেহার’ ঘোষণা সুনামগঞ্জ-১আসনে ১১দলের একক প্রার্থী আমি মুজ্জাম্মিল হক সুনামগঞ্জ-৪ আসনে পাঁচ প্রার্থীর ভোটের সমীকরণ বিশ্বম্ভরপুরের ভোটে হতে পারে চূড়ান্ত ভাগ্য নির্ধারণ সিলেট রেঞ্জে  শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হলেন সুনামগঞ্জ সদর থানার অফিসার্স ইনচার্জ রতন সেখ- পিপিএম যুগান্তর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দেশ-জাতি ও সত্যের পক্ষে অবস্থান অব্যাহত রেখে চলেছে: এসএমপি কমিশনার ব্যাংক এশিয়া শাখায় লুটতরাজ,সন্ত্রাসী হামলায় আহত বাবা–ছেলে, পুনরায় বসতবাড়িতে হামলা এলাকায় আতঙ্ক নূরুল ইসলামের সমর্থনে ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে জলিলপুর গ্রামে নির্বাচনী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জে ভলিবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হলো হবতপুর গ্রাম
প্রকাশ : September 11, 2022

ভারতের বিহারে পানি শুকিয়ে ভেসে উঠল ১২০ বছরের প্রাচীন মসজিদ

 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক::

ভারতের বিহার রাজ্যের নওয়াদা জেলায় খরার প্রভাবে নদী শুকিয়ে যাওয়ায় নদীর তলদেশে একটি প্রচীন মসজিদ জেগে উঠেছে। মসজিদটি ১২০ বছর আগে নির্মিত বলে ধারনা করা হচ্ছে।
কয়েক যুগ আগে বিহারে ফুলওয়ারিয়া বাঁধের কাজ শুরু হলে তা পানিতে নিমজ্জিত হয়। এবং চার দশক পানির নীচে থাকার পরেও মসজিদটি অক্ষত রয়েছে।

সেখানে অনেকেই মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করলেও ভবনটি সম্পূর্ণ অক্ষত দেখে অবাক হয়ে যান। এটি ছিল মসজিদের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ যে কয়েক দশক ধরে নিমজ্জিত থাকার পরেও কাঠামোর সামান্যতম ক্ষতিও হয়নি। মাটি থেকে মসজিদের উচ্চতা ৩০ ফুট।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছেন, ১৯৭৯ সালে বিহারের নওয়াদায় ফুলওয়ারিয়া বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার আগে থেকেই মসজিটি বিদ্যমান ছিল। এই জায়গাটিতে একটি বিশাল মুসলিম জনবসতি ছিল যাদের বাঁধ নির্মাণের জন্য উচ্ছেদ করা হয়েছিল। পুরো এলাকাটি সরকার অধিগ্রহণ করে। এ সময় বাঁধের পানিতে মসজিদটি নিমজ্জিত হয়ে পরে।

এ বছর তীব্র খরার কারনে ফুলওয়ারিয়া বাঁধ জলাধারের দক্ষিণ প্রান্তে পানি শুকিয়ে যাওয়ার পরে বিহারের নওয়াদা জেলার রাজৌলি ব্লকের চিরাইলা গ্রামের এই নিমজ্জিত মসজিদটি জেগে উঠে।

বাঁধের তীব্রস্রোতে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হলেও মসজিদটি অক্ষত অবস্থায় আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন