• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ২৪১ বোতল বিদেশী মদসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯ ছাতকে দাখিল পরিক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় দোয়া মাহফিল হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জ ও জামালগঞ্জে গণ-সমাবেশ ভুয়া “ভূমিহীন” পরিচয়ে খাস জমি দখলের হিড়িক: আমদাবাদে ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ হুমকির মুখে পাইকগাছায় তাঁতীদলের সভাপতি শিমুলের বিরুদ্ধে ঘর দখলের অভিযোগ সুনামগঞ্জে জুলাইযোদ্ধা জহুর আলীকে খুন করার হুমকি দিল লীগ সন্ত্রাসী নিজাম উদ্দিন, পর্ব-২ সুনামগঞ্জ শান্তিগঞ্জের পূর্ব বিরগাঁও’এ ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে চাপ, না মানায়—পা ভাঙল যুবকের ইরান যু/দ্ধে/র প্রভাবে কনডমের দাম বাড়তে পারে ভারতে লাউড়েরগড়ে যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালু-পাথর উত্তোলন, হুমকিতে শতাধিক পরিবার সুনামগঞ্জে জুলাইযোদ্ধাকে গলা কেটে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি
প্রকাশ : September 17, 2022

মালচিং পদ্ধতির সবজি চাষে সফল শাহ আলম

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ৩৯৩ জন পড়েছে
আপডেট : শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২

স্টাফ রিপোর্টার-মোঃআব্দুস শহিদ সুনামগঞ্জ 

শখ করে শুরু করেছিলেন সবজি চাষ। সবজির ভাল উৎপাদন হওয়ায় এখন পেশায় পরিণত হয়েছে। আধুনিকভাবে গ্রাফটিং করে মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে সফলতা অর্জন করেছেন কৃষক শাহ আলম। তিনি এই সবজি চাষ করে বছরে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করছেন। তাঁর বাড়ি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের মাঝাইর গ্রামে।
কৃষক শাহ আলম জানান, প্রথম বার শখের বশে আধুনিক পদ্ধতিতে ১৫ শতাংশ জমিতে চাষ করেন শসা। শসা ভাল উৎপাদন হওয়ায় ধীরে ধীরে টমেটো, লাউ, ক্যাপসিকাম (শিমলা মরিচ) সবজির চাষ শুরু করেন। প্রায় ১৫ বছর ধরে সবজি চাষ করার পর বর্তমানে ৪০ কেয়ার জমিতে আধুনিকভাবে গ্রাফটিং করে মালচিং পদ্ধতিতে এই সবজি চাষ করে আসছেন। ফসলকে নানা রোগ বালাই থেকে মুক্ত রাখতে জমির মাটি পলিথিনে ঢেকে রেখে চাষ করাকে মালচিং পদ্ধতি বলে। এই মালচিং পদ্ধতিতে সবজি উৎপাদন করলে রোগ বালাই কম হয়। একই সাথে কৃষি কাজের শ্রমিকও কম লাগে।
এবার কৃষক শাহ আলম শীতকালীন সবজি চাষ করেছেন টমেটো ৩৪ কেয়ার, লাউ ৩ কেয়ার ও ক্যাপসিকাম (শিমলা মরিচ) ৩ কেয়ার। টমেটো প্রতি কেয়ারে আনুমানিক খরচ হয়েছে ১ লাখ টাকা করে। উৎপাদিত টমেটো বিক্রি হবে প্রতি কেয়ারে আড়াই লাখ টাকা করে। লাউ প্রতি কেয়ারে খরচ হয়েছে ৩৩ হাজার টাকা করে। উৎপাদিত লাউ প্রতি কেয়ারে বিক্রি হবে ১ লাখ টাকা করে। ক্যাপসিকাম (শিমলা মরিচ) প্রতি কেয়ারে খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা করে। প্রতি কেয়ারে উৎপাদিত ক্যাপসিকাম (শিমলা মরিচ) বিক্রি হবে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা করে। টমেটো রোপনের ৩০ দিন পর বাজারজাত করা যাবে। লাউ ৩০ দিন পর এবং ক্যাপসিকাম (শিমলা মরিচ) ৬০ দিন পর বাজারজাত করা যাবে।
কৃষক শাহ আলম পলাশ ইউনিয়নের গবিন্দপুরে ১৭ কেয়ার এবং মাঝাইর গ্রামে ২৩ কেয়ার সবজি চাষ করেছেন। এই সবজি জমিতে প্রতিদিন ৩০ জন করে শ্রমিক কাজ করছেন। তিনি কৃষি কাজের পাশাপাশি পলাশ বাজারে সার এবং কৃষি পণ্যের খুচরা ও পাইকারী বিক্রেতার পেশায় যুক্ত আছেন।
কৃষক শাহ আলম বলেন, আমি ১৫ বছর ধরে সবজি চাষ করে আসছি। শখের বসে প্রথম শুরু করেছিলাম ১৫ শতাংশ জমিতে শসা চাষ। এখন আমি একজন পেশাজীবী কৃষক। আমি আধুনিকভাবে গ্রাফটিং ও মালচিং পদ্ধতিতে সবজি চাষ করে আসছি। বর্ষাকালীন ও শীতকালীন আগাম সবজি চাষ আমিই করি। আমার উৎপাদিত সবজি আগে বাজারে বিক্রি হয়। আমার চেয়ে বেশি জমিতে সবজি চাষ সুনামগঞ্জের কেউ করেনি।
স্থানীয় কৃষক আব্দুল হাদী বলেন, শাহ আলম যে পদ্ধতিতে সবজি চাষ করেন, এভাবে চাষ করলে অনেক খরচ হয়। অন্য কোনো কৃষক এভাবে সবজি চাষ করে ফসল উৎপাদন করতে সাহস পায়নি।
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে না পাওয়ায় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম বিধু বলেন, আমরা সারা উপজেলায় ঘুরে সবজি চাষের খোঁজ খবর নিই। বেশ কয়েক বছর ধরে মাঝাইর গ্রামের শাহ আলম নামের একজন কৃষক খুবই ভাল সবজি ফসল উৎপাদন করে আসছেন। এটা আমাদের উপজেলার কৃষি উন্নয়ন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন