• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
তফসিলের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পোস্টার, ব্যানার না সরালে ব্যবস্থা মধ্যনগরে সংবাদ সম্মেলন করে দল ছাড়লেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক- ফরিদ মিয়া সুনামগঞ্জে বিএনপির ফাঁকা ২ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো:রতন শেখ পিপিএম সুনামগঞ্জে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী জমকালো আয়োজনে পালিত সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ৯১ বোতল বিদেশী মদসহ ০১ জন গ্রেফতার জামালগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহত সিএনজি চালকসহ ৩জন আহত মধ্যনগরে যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেনের মায়ের ইন্তেকাল: যুবদলের শোক সুনামগঞ্জের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল বাসারের ইন্তেকাল কুড়িগ্রামে নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: মোবাইল কোর্টের অভিযানে জরিমানা
প্রকাশ : September 12, 2022

মা কতৃক শিশু সন্তান হত্যা, লাশ গুমের চেষ্টা

১২-০৯-২০২২
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
মোঃশাহজাহান খন্দকার।

অর্ধগলিত মৃতদেহ উদ্ধারের ২৪ ঘন্টার মধ্যে শিশু হত্যার রহস্য উদঘাটন করলো কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ প্রশাসন। সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ন সমাজের লক্ষ্যে সম্মানিত নাগরিকদের টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের আলোকে দিবারাত্র কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী। শুধু সংঘটিত অপরাধ দমনই নয়, নিয়ন্ত্রন, তদন্ত সহ অপরাধ নিবারনে সার্বক্ষণিক নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী।১০ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখ সকালে কুড়িগ্রাম জেলা উলিপুর উপজেলা থেতরাই ইউনিয়নে একই গ্রামের জনৈক মোঃ আকবর আলী, পিতা- মৃত আক্কাছ আলী এর ধান ক্ষেত এর পশ্চিম পাশে রাস্তা সংলগ্ন ধানের ক্ষেতের ভিতরে নিখোঁজ মোঃ ফরহাদ হোসেন (১০) এর মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশ প্রশাসন কে খবর দেয়। খবর পেয়ে উলিপুর থানা পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন এবং মৃত ফরহাদ হোসেন এর শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকায় মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সিভিল সার্জন কুড়িগ্রাম বরাবর প্রেরণ করেন। এই সংক্রান্তে উলিপুর থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন থেকে শুরু হয় পুলিশের তদন্ত। উলিপুর থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জনাব রুহুল আমিন এর চৌকস তদন্তে বেরিয়ে আসে হত্যার মূল রহস্য।
ভিকটিম গত ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখ রাতে বাড়িতে ফিরতে দেরি করায় ভিকটিমের মা ভিকটিমকে অতিরিক্ত শাসন করতে গিয়ে আঘাত করে, ফলে ভিকটিম আঘাত প্রাপ্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করে। ঘাতক মা ফেরদৌসী বেগম বিষয়টি ধামাচাপা দিতে লাশ গুম করার জন্য এবং হত্যার ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য লাশকে একই গ্রামের আক্কাস আলীর ধান ক্ষেতে ফেলে রেখে আসে। কিন্তু উলিপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিবিড় তদারকিতে তদন্তকারী কর্মকর্তার চৌকস তদন্তে ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদঘাটন হয় নির্মম সত্য।আসামী মোছাঃ ফেরদোসি বেগম ঘটনার বিষয়ে নিজের দোষ স্বীকার করে এবং ঘটনায় অবগত ভিকটিমের খালু আ: মজিদ বিজ্ঞ আদালতে ফৌঃকাঃবিঃ আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক জবানবন্দী প্রদান করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন