• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০২:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
ঠিকাদারের পক্ষে ফরমায়েসী সংবাদের প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন তফসিলের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পোস্টার, ব্যানার না সরালে ব্যবস্থা মধ্যনগরে সংবাদ সম্মেলন করে দল ছাড়লেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক- ফরিদ মিয়া সুনামগঞ্জে বিএনপির ফাঁকা ২ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো:রতন শেখ পিপিএম সুনামগঞ্জে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী জমকালো আয়োজনে পালিত সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ৯১ বোতল বিদেশী মদসহ ০১ জন গ্রেফতার জামালগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহত সিএনজি চালকসহ ৩জন আহত মধ্যনগরে যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেনের মায়ের ইন্তেকাল: যুবদলের শোক সুনামগঞ্জের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল বাসারের ইন্তেকাল
প্রকাশ : October 17, 2022

রংপুরে ১১৭ ভোটে বিজয়ী হলেন বিদ্রোহী প্রার্থী

 

হীমেল মিত্র অপু-স্টাফ রিপোর্টারঃ

আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট ইলিয়াছ আহমেদকে ১১৭ ভোটে হারিয়ে বিজয়ী হলেন আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত বিদ্রোহী প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছাদ্দেক হোসেন বাবলু।বিজয়ী প্রার্থী বাবলু ভোট পেয়েছেন ৬০১ ভোট এবং নিকটতম প্রতিদ্বন্দী আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী ইলিয়াছ পেয়েছেন ৪৮৪ ভোট।

আজ (১৭ অক্টোবর) সোমবার বিকেল সাড়ে তিনটায় বেসরকারীভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেন রংপুর জেলা রির্টার্নিং কর্মকর্তা আসিব আহসান।

রংপুর জেলা পরিষদের নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা মোছাদ্দেক হোসেন বাবলু ছিলেন রংপুর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা। এ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে অংশ নেয়ায় তাকে দলের সকল পদ থেকে বহিস্কার করা হয়।

নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, রংপুর জেলার ৮ উপজেলা, ৩ পৌরসভা ও ১ সিটি কর্পোরেশন মিলেন মোট ভোটার ১০৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৮৩৫ জন এবং নারী ভোটার ২৬০ জন।চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন ২ জন, সাধারণ সদস্যপদে ৩১ জন এবং সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ১৪ জন।রংপুর জেলার প্রত্যেকটি উপজেলায় ১টি করে মোট ৮ টি কেন্দ্রে এ ভোট অনুষ্ঠিত হয়। ইভিএমএ অনুষ্ঠিত ভোট সিসি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করেন সিইসি।

রংপুরে ভোট নির্বিঘ্নে ও সুষ্ঠুভাবে সম্পূর্ণ করতে পুলিশের ১০ টি মোবাইল টীম, র‌্যাবের ২ টি এবং ১ প্লাটুন বিজিবি স্ট্যান্ডবাই এবং প্রত্যেকজন ওসি ও সার্কেল পুলিশের অধীনে একটি করে টীম থাকবে এবং আনসার ভিডিপির আলাদা টীম ছিল।

জেলা রির্টার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আসিব আহসান জানান,রংপুরে কোথাও কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সকলের আন্তরিকতায় সুষ্ঠুভাবে ভোট সম্পুর্ণ হয়েছে।এজন্য তিনি রংপুরের সকল ভোটার,প্রতিদ্বন্দি প্রার্থী এবং গণমাধ্যমের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ও গোপন কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করার পাশাপাশি ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে দেখা গেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা।
রংপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলার একটি সিটি কর্পোরেশন, তিনটি পৌরসভা, আটটি উপজেলা পরিষদ ও ৭৬টি ইউনিয়ন পরিষদের ১ হাজার ৯৫ জন জনপ্রতিনিধি তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দুজন, আটটি ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে ২৯ জন ও তিনটি ওয়ার্ডে সংরক্ষিত সদস্য পদে ১৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

প্রসঙ্গত, ২০০০ সালে তৎকালীন সরকার নতুন করে জেলা পরিষদ আইন প্রণয়ন করেন। এরপর জোট সরকারের আমলে এ নিয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পরে ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর ২০১১ সালে প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে জেলা পরিষদ পরিচালনা করে। এরপর প্রথমবারের মতো স্থানীয় এই সরকারে নির্বাচন হয় ২০১৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন