• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
তফসিলের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পোস্টার, ব্যানার না সরালে ব্যবস্থা মধ্যনগরে সংবাদ সম্মেলন করে দল ছাড়লেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক- ফরিদ মিয়া সুনামগঞ্জে বিএনপির ফাঁকা ২ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো:রতন শেখ পিপিএম সুনামগঞ্জে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী জমকালো আয়োজনে পালিত সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ৯১ বোতল বিদেশী মদসহ ০১ জন গ্রেফতার জামালগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহত সিএনজি চালকসহ ৩জন আহত মধ্যনগরে যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেনের মায়ের ইন্তেকাল: যুবদলের শোক সুনামগঞ্জের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল বাসারের ইন্তেকাল কুড়িগ্রামে নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: মোবাইল কোর্টের অভিযানে জরিমানা
প্রকাশ : September 20, 2022

শাল্লায় শিক্ষার্থী ধর্ষনের ঘটনায় ধর্ষনকারী চেয়ারম্যান- মেম্বারকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

মোঃআব্দুল শহীদ-

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জের শাল্লায় সালিশের নামে কিশোরীকে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে চেয়ারম্যান মেম্বার কতর্ৃৃক ধর্ষণের ঘটনায় চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের দ্রæত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক ‘শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১১টায় শাল্লা উপজেলা সদরের শহীদ মিণার প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে এলাকার তিনশতাধিক লোকজন অংশগ্রহন করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন নির্যাতিতা শিক্ষার্থীর বড়ভাই অসীম কুমার দাস,সাংবাদিক বকুল মিয়া,জয়ন্ত কুমার দাস ও রতন দাস প্রমুখ।
বক্তারা বলেন গত ১৫ই সেপ্টেম্বর সকালে উপজেলার বাহারা ইউনিযন পরিষদের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্ট,প্রেমিক মলয় দাস ও ইউপি সদস্য দেবব্রত দাশ মিলে ঐ কিশোরীকে ইউনিয়ন পরিষদের একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষন করেন। চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ একজন মাদকসেবী। সে প্রতিদিন মাদক সেবন করে সরকারী দলের প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় বিভিন্ন অসহায় মহিলাদের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে আসছেন। পরবর্তীতে কিশোরীর চিৎকারে লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে শাল্লা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে এনে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গত ১৬ই সেপ্টেম্বর নির্যাতিতার আপন বড়ভাই বাদি হয়ে ধর্ষনকারী বাহারা ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্টুকে প্রধান করে ইউপি সদস্য দেবব্রত দাস মাতব্বর ও মলয় দাসকে আসামী করে শাল্লা থানায় একটি ধর্ষন মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং -০২। এই আসামীদ্বয়কে দ্রæত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলখ শাস্তি প্রদানের জন্য সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও পুলিশ সুপারের নিকট জোর দাবী জানান।
উল্লেখ্য উপজেলার বাহাড়া ইউনিয়নের বাহাড়া গ্রামের মলয় দাসের সঙ্গে ঐ নির্যাতিতা কিশোরীর দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল । বিয়ে না করায় চলতি বছরের গত জানুয়ারী মাসে প্রেমিক মলয় দাসের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করে ওই কিশোরী। এতে প্রেমিক মলয় দাস দীর্ঘদিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত হয়ে অন্যত্র বিয়ের প্রস্তুতি নিলে গত ১৪ই সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় ওই কিশোরী মলয়ের বাড়িতে অবস্থান নেয়। পরে মলয়ের পরিবার বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্টুকে জানায়। কিছুক্ষণ পর চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ চৌধুরী নান্টু মলয়ের বাড়ি গিয়ে বিষয়টি সমঝোতা করে দেয়ার কথা বলে ওই কিশোরীকে রাতেই বাড়ি পাঠিয়ে দেন। সকালে তাকে সালিশের কথা বলে ইউনিয়ন পরিষদে নিয়ে আসেন এবং পরিষদের একটি কক্ষে ঐ কিশোরীকে চেয়ারম্যান এবং ইউপি সদস্য মিলে ধর্ষন করেন।
এ ব্যাপারে শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান আসামীদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত আছে । ##


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন