• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
তফসিলের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পোস্টার, ব্যানার না সরালে ব্যবস্থা মধ্যনগরে সংবাদ সম্মেলন করে দল ছাড়লেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক- ফরিদ মিয়া সুনামগঞ্জে বিএনপির ফাঁকা ২ আসনে মনোনয়ন ঘোষণা সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো:রতন শেখ পিপিএম সুনামগঞ্জে দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার পত্রিকার ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী জমকালো আয়োজনে পালিত সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ৯১ বোতল বিদেশী মদসহ ০১ জন গ্রেফতার জামালগঞ্জে সড়ক দূর্ঘটনায় ১জন নিহত সিএনজি চালকসহ ৩জন আহত মধ্যনগরে যুবদল নেতা দেলোয়ার হোসেনের মায়ের ইন্তেকাল: যুবদলের শোক সুনামগঞ্জের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবুল বাসারের ইন্তেকাল কুড়িগ্রামে নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন: মোবাইল কোর্টের অভিযানে জরিমানা
প্রকাশ : September 29, 2022

সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুরে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্পজীবনকালীন বিনাধান-১৭ সম্প্রসারনের লক্ষ্যে মাঠ দিবস

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্পজীবনকালীন বিনাধান-১৭ এর প্রচার ও সম্প্রসারনের লক্ষ্যে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলদেশ পরমানু কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র সুনামগঞ্জের সহযোগিতায় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বিশ্বম্ভরপুরের আয়োজনে উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের মৌয়াকুড়া মাঠে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদি উর রহিম জাদিদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা হতে ভ্যার্চুয়ালে সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন, বাংলদেশ পরমানু কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিনা)”র মহাপরিচালক কৃষিবিদ. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের উপ পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম,সুনামগঞ্জ বিনা উপ কেন্দ্রের উধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ মোহাম্মদ নুরুন নবী মজুমদার,বিশ্বম্ভরপুৃর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নয়ন মিয়া,সলুকাবদা ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরে আলম(তপন) ও বিনাধান-১৭ সুনামগঞ্জের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আব্দর রাকিব প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলদেশ পরমানু কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিনা)”র মহাপরিচালক কৃষিবিদ. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেছেন,বিনাদান -১৭ এর জীবনকাল ১১০-১১২দিন এবং গড় ফলন প্রতি হেক্টরে ৬ টন ধান উৎপাদন করা সম্ভব হবে। যদি স্বল্পমেয়াদি আমন ধানের জাত চাষ করে তাহলে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধি পাবে। এতে পতিত জমি আবাদ হবে এবং কৃষক অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। এজন্য স্বল্পকালীনএবং উচ্চ ফলনশীল বিনাধান-১৭ চাষ করে পরবতর্অীতে সরিষা চাষের মাধ্যমে ভোজ্যতেলের উৎাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন,দেশে ভোজ্যতেলের সংকট রয়েছে এবং আকাশচুম্বী দাম এজন্য অধিক ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে জনগনের চাহিদা মিঠানো সম্ভব হবে। আমাদের ৯০ ভাগ ভোজ্যতেল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় আমরা যদি দেশে সরিষা চাষের আবাদ বৃদ্ধি করি তাহলে আমদানি নির্ভরতা কমবে। আমরা স্বল্পকালীন আমন ধানের জাত চাষাবাদের জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। এই সলুকাবাদ ইউনিয়নের মৌয়াকুড়া মাঠে তিন একর জমিতে বিনাধান-১৭ আবাদ করা হয়েছিল এবং আজ তা কর্তনের মাধ্যমে শেষ হলো। পরে কৃষকদের মাঝে ব্রীজ ধান বিতরণ করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন