• ঢাকা, বাংলাদেশ সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২২ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
সেতুর অপেক্ষায় পাঁচ গ্রাম, স্বাধীনতার পরও শেষ হয়নি দুর্ভোগ শান্তিগঞ্জে রিয়াজুল উলূম মাদ্রাসার উদ্বোধন ২০ নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে কমিশনার পদপ্রার্থী হাজী হৃদয় খান নয়ন মধ্যনগরের বংশীকুন্ডা বাজারে প্রতি শনিবারে বসবে সাপ্তাহিক পশুর হাট এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ও দারুসসালাম ইউনিভার্সিটির মধ্যে ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর চিলমারীতে বাড়ির পাশে বাঁশঝোপে মিলল নিখোঁজ শিশু আয়শার মরদেহ শান্তিগঞ্জে বোরো ধান কর্তন উৎসব ২০২৬ উদ্বোধন করেন, এম কয়ছর-এমপি মধ্যনগরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ গোয়াইনঘাট প্রবাসী সমাজকল্যাণ পরিষদ ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা উলিপুরে প্রস্তাবিত বাইপাস সড়ক প্রকল্প পরিদর্শনে-মাহবুবুল আলম সালেহী
প্রকাশ : September 29, 2022

সুনামগঞ্জ বিশ্বম্ভরপুরে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্পজীবনকালীন বিনাধান-১৭ সম্প্রসারনের লক্ষ্যে মাঠ দিবস

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ১৪০ জন পড়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও স্বল্পজীবনকালীন বিনাধান-১৭ এর প্রচার ও সম্প্রসারনের লক্ষ্যে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলদেশ পরমানু কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র সুনামগঞ্জের সহযোগিতায় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বিশ্বম্ভরপুরের আয়োজনে উপজেলার সলুকাবাদ ইউনিয়নের মৌয়াকুড়া মাঠে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদি উর রহিম জাদিদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা হতে ভ্যার্চুয়ালে সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন, বাংলদেশ পরমানু কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিনা)”র মহাপরিচালক কৃষিবিদ. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের উপ পরিচালক বিমল চন্দ্র সোম,সুনামগঞ্জ বিনা উপ কেন্দ্রের উধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ মোহাম্মদ নুরুন নবী মজুমদার,বিশ্বম্ভরপুৃর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. নয়ন মিয়া,সলুকাবদা ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরে আলম(তপন) ও বিনাধান-১৭ সুনামগঞ্জের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আব্দর রাকিব প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলদেশ পরমানু কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট (বিনা)”র মহাপরিচালক কৃষিবিদ. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেছেন,বিনাদান -১৭ এর জীবনকাল ১১০-১১২দিন এবং গড় ফলন প্রতি হেক্টরে ৬ টন ধান উৎপাদন করা সম্ভব হবে। যদি স্বল্পমেয়াদি আমন ধানের জাত চাষ করে তাহলে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধি পাবে। এতে পতিত জমি আবাদ হবে এবং কৃষক অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবে। এজন্য স্বল্পকালীনএবং উচ্চ ফলনশীল বিনাধান-১৭ চাষ করে পরবতর্অীতে সরিষা চাষের মাধ্যমে ভোজ্যতেলের উৎাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন,দেশে ভোজ্যতেলের সংকট রয়েছে এবং আকাশচুম্বী দাম এজন্য অধিক ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে জনগনের চাহিদা মিঠানো সম্ভব হবে। আমাদের ৯০ ভাগ ভোজ্যতেল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয় আমরা যদি দেশে সরিষা চাষের আবাদ বৃদ্ধি করি তাহলে আমদানি নির্ভরতা কমবে। আমরা স্বল্পকালীন আমন ধানের জাত চাষাবাদের জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করা হচ্ছে। এই সলুকাবাদ ইউনিয়নের মৌয়াকুড়া মাঠে তিন একর জমিতে বিনাধান-১৭ আবাদ করা হয়েছিল এবং আজ তা কর্তনের মাধ্যমে শেষ হলো। পরে কৃষকদের মাঝে ব্রীজ ধান বিতরণ করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন