• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
কেন এই মিছে মায়া… নাইম তালুকদার-লেখক: গণমাধ্যম কর্মী সুনামগঞ্জে জনকণ্ঠ ও একুশে টিভির প্রতিনিধি আব্দুস সালামের অফিসে, হামলা লুটপাট, মোবাইল ভাংচুর ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে পেট্রলো ডিজেল কম দেওয়ায় পাম্পের মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আব্দুল হাইকে দেখতে চান এলাকাবাসী শান্তিগঞ্জে এমপি কয়ছর আহমদের মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকের বক্তব্যে বাধা, প্রেসক্লাবের নিন্দা। শান্তিগঞ্জে বীজ ধান উৎপাদন ও সংরক্ষণে মৌলিক প্রশিক্ষণ সুনামগঞ্জ-এ নবনির্বাচিত এমপিদের সংবর্ধনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসন উপজেলা-এ নবনির্বাচিত এমপি’র মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত তারেক রহমানকে নিয়ে গান গাইলেন আল হেলাল : সম্পন্ন হলো কবি-সাহিত্যিক সংবর্ধনা প্রতিশ্রুতি রক্ষা:বিশ্বম্ভপুর দিঘীরপাড় গ্রামে মানুষের সাথে সাক্ষাতে এমপি এড. নুরুল ইসলাম নুরুল
প্রকাশ : February 27, 2026

কেন এই মিছে মায়া… নাইম তালুকদার-লেখক: গণমাধ্যম কর্মী

আত্নকথা: ভালোবাসা—বর্তমান সমাজে বহুল প্রচলিত একটি শব্দ। কিন্তু এই শব্দের আড়ালেও কিছু মানুষ আছে, যারা সত্যিই ভালোবাসতে জানে। তবুও পারিবারিক ও সামাজিক নানা কারণে অনেক সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত পূর্ণতা পায় না।
তেমনই একটি ছোট্ট, মিষ্টি অথচ বাস্তব কাহিনী তুলে ধরছি।
একটি ছেলে হঠাৎ করেই একটি মেয়েকে দেখে পছন্দ করে ফেলে। বান্ধবীর সহায়তায় মেয়েটিকে প্রস্তাব দেয়, আর মেয়েটিও সম্মতি জানায়। এভাবেই প্রায় দুই বছর তাদের সম্পর্ক চলতে থাকে।
হঠাৎ একদিন মেয়ের পরিবার বিষয়টি জেনে যায়। শুরু হয় চাপ, বাধা আর অস্বীকৃতি। ছেলেটি বুঝতে পারে—এই সম্পর্ক কোনোদিন মেয়েটির পরিবার মেনে নেবে না।
একদিন তাদের মধ্যে এমন একটি কথোপকথন হয়—
ছেলে: কেমন আছো তুমি?
মেয়ে: আলহামদুলিল্লাহ, ভালো। তুমি?
ছেলে: ভালো আছি। তুমি কি অনুভব করছো—তোমার পরিবার আমাকে কোনোদিন মেনে নেবে না?
মেয়ে: হ্যাঁ, আমিও তাই ভাবছি। কিন্তু আমি তোমাকে খুব ভালোবাসি। তোমাকে ছাড়া কিছুই ভাবতে পারি না।
ছেলে: আমিও পারি না। কিন্তু আমি চাই না, আমার কারণে তুমি তোমার পরিবারের কাছে খারাপ হও। আমি চাই তুমি সারাজীবন সুখে থাকো।
মেয়ে: তোমাকে ছাড়া আমি সুখে থাকতে পারব না।
ছেলে: এটা আবেগ। যদি আমরা পালিয়ে বিয়ে করি, তাহলে সারাজীবন তোমার পরিবারের কাছে অভিশাপ হয়ে থাকবো। সেটা আমি চাই না। আমি শুধু তোমাকে সুখী দেখতে চাই।
মেয়ে: তাহলে তুমি কী বলতে চাও?
ছেলে: (কিছুক্ষণ নীরব থেকে) আজ থেকে আমাদের পথ আলাদা হোক।
কথাগুলো বলতে বলতে ছেলেটির কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে। ফোন কেটে দিয়ে সে অঝোরে কাঁদতে থাকে। মেয়েটিও নীরবে ভেঙে পড়ে।
ছেলেটি এতটাই ভালোবাসতো যে নিজের কষ্ট বুকের ভেতর চাপা রেখে প্রিয় মানুষটির ভবিষ্যৎ সুখের কথা ভেবেছিল। আর এভাবেই ধীরে ধীরে তাদের মাঝখানে অদৃশ্য একটি দেয়াল তৈরি হয়। একটি মিষ্টি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে নিঃশব্দে।
ভালোবাসা সবসময় কাছে পাওয়া নয়—কখনো কখনো দূরে সরে যাওয়াও ভালোবাসারই একটি কঠিন রূপ।
লেখক: গণমাধ্যম কর্মী


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন