বিশ্বম্ভরপুরে সরকারি খাস খতিয়ানের ভূমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় একই পরিবারের ছয়জন আহত ও বসতবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (৯ জুন) বাদজুম্মা পলাশ ইউনিয়নের পাখিজান গ্রামের আব্দুর রশীদের বসতবাড়ীতে ঘটনাটি ঘটে। আহতরা হলেন, ফাতেমা খাতুন (২৫), রফিকুল ইসলাম (৪০), জাহাঙ্গীর আলম (২২), নুর মোহাম্মদ (৭০), দুলাল মিয়া (৬৭), শাহ আলম (২২)। আহতদের সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের সাজারী বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে গুরুত্বর আহত ফাতেমা খাতুনের শারিরীক অবস্থার উন্নতি না হলে মাথায় অধিক রক্তক্ষরণের কারণে কতব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট রেফাড করেন। এ ঘটনায় বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আহত দুলাল মিয়া বলেন, এরশাদ ও আওয়াল মিয়া গংরা ঘটনার দিন দুপুরে ভূমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে দেশীয় অস্ত্র রামদা,লাটি,দিয়ে আমার ছেলে আব্দুর রশীদের বসতবাড়ীতে হামলা চালিয়ে আমাদেরকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম ও বসতঘর ভাংচুর করে প্রায় ২০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করেছে। আওয়াল মিয়া একজন ভূমিখেকো প্রকৃতির লোক। সে অন্যায় ভাবে আমাদের বসতবাড়ীর ভূমি জবরদখল করার জন্য বিজ্ঞ আদালতে এ পযন্ত দুটি সাজানো মামলা করেছে। এরশাদ মিয়া সম্পর্কে আমার আপন ভাতিজা তার বাবা মৃত্যু বরন করার পর থেকেই আমার পরিবারের উপর একের পর এক হামলা চালিয়ে চিরতরে উচ্ছেদ করার পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। গত দুই মাস পূর্বে এরশাদ মিয়া আমাকে কুপিয়ে এক মাস জেল কেটে বাহির হয়ে শুক্রবার জুম্মার পর আবার আমার পরিবারের উপর হামলা চালিয়েছে। আমি হাসপাতালে আহতদের নিয়ে চিকিৎসাধীন থাকায় প্রতিপক্ষরা বসতঘরে ডুকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি পুলিশ প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি এবং হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। বিশ্বম্ভরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো সাইফুল ইসলাম জানান, মারামারির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। এখন পর্যন্ত কেউ অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।