মোঃআব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের আবেদীন বাজারে ষড়যন্ত্রমূলক ভাবে ধনপুর ইউপির টানা ২বারের বিপুল ভোটে নির্বাচিত ৮নং ওর্য়াড সদস্য রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে মাতলামি,গালিগালাজ সহ নানা বিষয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে। ধনপুর ৩নং ওয়াড সদস্য হেনু মিয়া চৌধুরী বলেন, রফিকুল ইসলামের চোরাইকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাবশালী মহল আরাল থেকে রফিকুলের সম্মান হানি করার জন্য তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে। সে যদি ভাল মানুষ না হতো তাহলে বার বার নির্বাচিত হয় কেমন করে। বন্যার সময় সে নিজের পরিবারের দায় দায়িত্ব ফেলে রেখে দিন রাত ওয়াডবাসীর পাশে থেকে খোজঁখবর রেখেছেন। তার বিরুদ্ধে যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে তা সত্য নয়। ধনপুর ৪নং ওর্য়াড সদস্য মো মোক্তার হোসেন বলেন, এলাকার কিছু সংখ্যক লোকজনকে ভুল বুঝিয়ে ২ বারের নির্বাচিত মেম্বার রফিকুলের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করিয়ে তার সম্মান হানি করেছে। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে তা সমপূন মিথ্যা। টানা দশ বছর ধরে সে জনগনের সেবায় নিয়োজিত আছে। কিন্তু কারো সঙ্গে অসদ আচরণ কিংবা ভিজিডি কার্ডের বিনিময়ে টাকা নিয়েছেন এ ধরনের কোন অভিযোগ তার বিরুদ্ধে নেই। ধনপুর ৬নং ওর্য়াড সদস্য মো সাদেকুর রহমান (সাদেক) বলেন, এলাকায় রফিকুল ইসলাম একজন সমাজসেবক ও শালিশী ব্যক্তিত্ব। টানা ২ বার সে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তার চরিত্র যদি খারাপ হতো তাহলে সে বার বার জনপ্রতিনিধি হতে পারতো না। গ্রামের একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ পুরোটা সত্য নয়। স্থানীয় আব্দুল জব্বার ও হারুণ মিয়া বলেন, আমি চিনাকান্দি বাজারে যাওয়ার পথে স্থানীয় কয়েকজন আমাকে টেনে রফিকুল মেম্বারের বিরুদ্ধে মানববন্ধনে দাড় করিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে তা পুরোপুরি সত্য নয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাবেক চেয়ারম্যান বলেন, রফিকুল ইসলাম তক্ষক ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ করায় তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে। সত্যকে মিথ্যা দিয়ে ডাকা যায় না। ধনপুর ইউনিয়ন শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক মো তফাজ্জুল হোসেন বলেন, রফিকুল ইসলাম একজন শালিশী ব্যক্তিত্ব। সে বার বার জনগনের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি। তক্ষক ব্যবসায়িরা তার বিরুদ্ধে এ সমস্ত ষড়যন্ত্র করছে। ধনপুর ইউপির সংরক্ষিত মহিলা সদস্য মনোয়ারা বেগম বলেন, সব জায়গাতেই ভাল মানুষের পেছনে প্রতিপক্ষ থাকে। ভাল কাজে শক্র বেশি আর মন্দ কাজে বন্ধু বেশি। রফিকুল ইসলামের নির্বাচনী ওর্য়াডে তার চেয়ে বেশি হেভিওয়েট প্রার্থী ছিল। কিন্তু রফিকুল ইসলাম টানা ২ বার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ায় এবং রাস্ট্র বিরোধী কাজের প্রতিবাদ করায় তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন কৌশলে ষড়যন্ত্র চলছে। রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে যে বা যারাই অন্তরাল থেকে ঐ সমস্ত কাজ করছে ঠিক হচ্ছে না। ওয়াডবাসী তাকে অন্ধের মত বিশ্বাস করে। ঐ কু-চক্রী মহলের বিরুদ্ধে আমি নিন্দা জানাই। বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শালিশী ব্যক্তিত্ব নুরুল ইসলাম বলেন, যারা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে এ সমস্ত কাজ করছে তারা সমাজের আয়না নয় শক্র। সে একজন সামাজিক লোক। সমাজে তার ভাল কাজ দেখে হিংসায় জ্বলে তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। ইনশাআল্লাহ আমরা সবাই তার সাথে আছি ভবিষৎতে থাকব। ধনপুর ৮নং ওর্য়াড সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন, জনগনের ভালবাসায় আমি টানা ২ বার বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছি। আমার চোরাইকৃত মোবাইল ফোন উদ্ধারের চেষ্টা এবং তক্ষক ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আমার বিরুদ্ধে আড়াল থেকে একটি প্রভাবশালী মহল ষড়যন্ত্র করছে।