নিজস্ব প্রতিবেদক: সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৮নং মোহনপুর ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামের কৃতি সন্তান কবি রেজাউল করিম—একজন সত্যনিষ্ঠ, সাহসী ও আদর্শবান মানুষ হিসেবে এলাকায় সুপরিচিত। ডাকঘর জয়নগর বাজারের এই তরুণ কবি দীর্ঘদিন ধরে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম চালিয়ে যাচ্ছেন নির্ভীকভাবে।
স্থানীয়দের মতে, তিনি সবসময় সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। জীবনের ঝুঁকি থাকলেও কখনো মাথা নত করেননি। হাসিমুখে সত্যকে প্রতিষ্ঠিত রাখতে প্রয়োজনে মৃত্যুকেও আলিঙ্গন করার মানসিকতা তার মধ্যে বিদ্যমান।
জানা যায়, ৮নং মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তিনি মাঠপর্যায়ে সাধ্যের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছেন। তবে তার এই জনপ্রিয়তা ও কর্মকাণ্ডে ঈর্ষান্বিত হয়ে একটি মহল তাকে নানা ভাবে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
বিশেষ করে তার ব্যক্তিগত জীবনকে কেন্দ্র করে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। একটি পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে কিছু অসাধু ব্যক্তি মিথ্যা ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে তার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।
এ বিষয়ে সচেতন মহল মনে করে, একজন মানুষের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপপ্রচার চালানো অনৈতিক এবং সামাজিকভাবে নিন্দনীয়। তারা বলেন, “ঘরের সম্পর্ক ভালো থাকলে সমাজও সুন্দর থাকে। তবে ব্যক্তিগত দুর্বলতাকে পুঁজি করে কাউকে হেয় করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
এছাড়াও সমাজে নেশা ও অবক্ষয়ের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তাদের মতে, নেশা মানুষের বিবেক ও চিন্তাশক্তি ধ্বংস করে দেয়, ফলে পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
শেষে বলা যায়, একজন লেখক, কবি ও সাংবাদিক সমাজের মূল্যবান সম্পদ। তাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে সহযোগিতা করা সবার দায়িত্ব। সকল প্রতিকূলতার মধ্যেও কবি রেজাউল করিম যেন তার লেখনী ও আদর্শ নিয়ে এগিয়ে যেতে পারেন—এটাই সবার প্রত্যাশা।