• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫৮ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
নড়াইলে নিরাপদ অভিবাসন ও দক্ষতা উন্নয়ন শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত কানাইঘাটে থানা পুলিশের অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত ৩ আসামি গ্রেফতার সুনামগঞ্জে ডিসির নিষেধ অমান্য করে বর্ষবরণ পালন করলো উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী সুনামগঞ্জে বাণী সংগীত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ঝমকালো আয়োজনে বৈশাখী বর্ষবরণ-১৪৩৩ উদযাপন সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে বিলাল উদ্দিন হত্যা মামলার দুই আসামি কুমিল্লা থেকে গ্রেফতার সুনামগঞ্জে ইউরোপে কর্মী পাঠানোর নামে প্রতারণা: নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার ১ বনগাঁও বাজারে মাদকবিক্রেতা ও চোরাকারবারীদের হামলায় বিএনপি নেতা বুলবুল আহত সুনামগঞ্জে উদীচীর বর্ষবরণে জেলা প্রশাসনের বাধা: প্রতিবাদ ও কর্মসূচি ঘোষণা শান্তিগঞ্জে হাওর বাঁচাও আন্দোলন’র আওলাদ হোসেন ও সাজ্জাদুর বহিষ্কার ‎ হাইকোর্টের আদেশে ৫ মাস সময় পেলেন যাদুকাটা নদীর দুই ইজারাদার
প্রকাশ : October 14, 2022

আনন্দলোক ডিগ্রী মহাবিদ্যালয়ে ফরম পূরণের নামে চলছে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চাঁদা আদায় !

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ১৮৭ জন পড়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২২

 

আবু তালেব,স্টাফ রিপোর্টারঃ

রংপুর মহানগরের আওতাধীন ৬ নং ওয়ার্ডে অবস্থিত আনন্দলোক মহাবিদ্যালয়। মহাবিদ্যালয়টিতে চলছে ফরম পূরণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কৌশলে চাঁদা আদায়। চাঁদার টাকা দিতে অভিভাবকদের করতে হচ্ছে ঋণ। কেননা সভাপতি, অধ্যক্ষ ও কমিটির সদস্য খবির উদ্দিনের নির্দেশ এক টাকা কম নেয়া হবে না। তাই সকল অভিভাবকদের হতে হচ্ছে অন্যের কাছে ঋণী।
গত ১৩ অক্টোবর ঘটনাটি জানতে পেয়ে সত্যতা যাচাই করার জন্য সরেজমিনে গিয়ে দেখতে পাওয়া যায় আনন্দলোক মহাবিদ্যালয়ে ফরম পূরণের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জোর পূর্বক নেয়া হচ্ছে অধিক অর্থ। যার যোগান দিতে গিয়ে কষ্ট হচ্ছে অনেক অভিভাবকদের কিন্তু কিছু করার নেই, যে কোন মূল্যেই পরিষদ করতে হবে ফরম পূরণের টাকা। তা না হলে দিতে পারবে না পরীক্ষা। ফরম পূরণে মাসিক বেতন,পরীক্ষার ফি ৮০০ টাকা ও কেন্দ্র ফি ৪৫০ টাকা সহ অতিরিক্ত উন্নয়ন ফি বাবদ ১৫০০ টাকা,মসজিদ ফি ১০০ টাকা,ব্যবস্থাপনা ফি ৫০০ টাকা,পাঠ বিরতি ফি ১০০ টাকা, কল্যাণ ও বিদ্যুৎ ফি ১৫০ টাকা মোট ২৩৫০ টাকা নেয়া হচ্ছে। এ যেন জোর পূর্বক আদায় করা হচ্ছে চাঁদা !
এ বিষয়ে উক্ত মহাবিদ্যালয়ে উপস্থিত রংপুর জেলা কৃষক লীগের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম দুখু জানান, হাবু এলাকার মতলেব মিয়া একজন দিনমজুর তার দুটি মেয়ে মারুফা ও আয়শা আনন্দলোক মহাবিদ্যালয়ে লেখা পড়া করে। আয়শা ডিগ্রী ১ম বর্ষের ছাত্রী। সরকার ঘোষিত উপবৃত্তি কোন বোনই পায়না। আজ আয়শার ফরম পূরণের শেষ দিন। তার বাবা কষ্ট করে কিছু টাকা যোগাড় করে মেয়ের হাতে দেন কিন্তু কলেজে এসে আয়শার কঁপালে হাত ! ফরম পূরণ বাবদ তার ধরা হয়েছে ৬৩০০ টাকা। ফরম পূরন করতে হলে ৬৩০০ টাকাই লাগবে। এক টাকা কম হলে ফরম পূরণ হবে না। যেখানে মানবতার দৃষ্টিকোণ থেকে একই প্রতিষ্ঠানে দুইটি সন্তান পড়লে একটু সুনজর দেয়া হয়। এখানে যার কিছুই করা হয়নি। কোন উপায় না পেয়ে অবশেষে আমার স্বরণাপন্য হলে আমি উক্ত প্রতিষ্ঠানের অফিস সহকারী বাবু দুলাল ও অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করলে তারা সাফ জানিয়ে দেয় সভাপতি হরিহর ও সদস্য খবির উদ্দিন বলেছেন এক টাকা কম দিলে ফরম পূরণ করতে দেয়া হবে না। অবশেষে নিজের টাকা ভূর্তকি দিয়ে আমি আয়শার ফরম পূরণের ৬৩০০ টাকা দিয়ে দেই। একজন অভাব গ্রস্থ দিন মজুর ব্যক্তির কাছেও যদি কোন টাকা কম না নিয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে তাহলে, তাদের অবস্থা কি হবে ? শুধু তাই নয় বর্তমান অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম অত্র প্রতিষ্ঠানে অফিস সহকারী হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হয় পরবর্তীতে অবৈধভাবে প্রভাষক হন প্রভাষক থেকে উপাধ্যক্ষ এবং বর্তমান তিনি অধ্যক্ষ হিসেবে দ্বায়িত্বরত আছেন। ফরম পূরণের বিষয়ে অফিস সহকারী বাবু দুলাল এর সাথে মুঠো ফোনে কথা বললে তিনি উপযুক্ত জবাব দিতে না পেরে ভিত্তিহীন কথা বলে বিষয়টি এড়িয়ে যায়। তাদের এই দুর্নীতি মূলক কাজ বিগত কয়েক বছর ধরে চলে আসছে। এভাবে তারা তাদের দূর্নীতির হাত শক্তিশালী করেছে। নাম প্রকাশ না করতে চাওয়া আরো অনেকই বলেন তারা সব সময় প্রতিষ্ঠানের ভিতরে দূর্নীতি করে আসছে। তাদের এরকম অন্যায় মূলক কাজের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে এর সঠিক বিচার কামনা করছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন