চলমান ডেক্স: র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এছাড়াও যে কোন ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ বিনির্মাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ এর একটি আভিযানিক দল সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ থানা এলাকায় অবস্থানকালে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ ইং সকাল ১১.১০ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে, সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ থানাধীন ব্রাহ্মণগাঁও এলাকার পাকা রাস্তার উপর কতিপয় ব্যক্তি মোটরসাইকেলে মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। উক্ত সংবাদ পেয়ে র্যাবের আভিযানিক দলটি আনুমানিক সকাল ১১.২০ ঘটিকার সময় ঘটনাস্থলে পৌছালে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে ০৩ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেল ফেলে দৌড়ে পালানোর চেষ্টাকালে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তিরা জিজ্ঞাসাবাদে জানায় যে, তাদের হেফাজতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও বিদেশী মদ রয়েছে। অতঃপর তল্লাশী করে তাদের হেফাজত হতে ০৭ কেজি গাঁজা ও ০১ বোতল বিদেশী মদসহ তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন ১।মোঃ মানিক মিয়া (৩৪)পিতা- মৃত জমশের উল্ল্যাহ ২। মোঃ মঞ্জুর আলম (৩২)পিতা- মোঃ মোহরম আলী, উভয় সাং- কালিশিরি, থানা- চুনারুঘাট, জেলা- হবিগঞ্জ এবং ৩। মোঃ মিজানুর রহমান (৫৫)পিতা- মৃত আব্দুল জাহান, সাং- ব্রাহ্মণগাঁও, থানা- শান্তিগঞ্জ, জেলা- সুনামগঞ্জ।
গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, তারা পরস্পর যোগসাজসে সীমান্ত এলাকা হতে মাদকদ্রব্য গাঁজা ও বিদেশী মদ সংগ্রহ করে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিল।
পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ খ্রিঃ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের পূর্বক গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিগণ ও জব্দকৃত আলামত সুনামগঞ্জ জেলার শান্তিগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এছাড়াও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে র্যাব-৯ এর গোয়েন্দা তৎপরতা এবং চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে।