মো:আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে পুত্র বধুর দায়ের কুঁপে বয়োবৃদ্ধ শ্বাশুড়ী গুরুতর আহত হয়েছেন। রবিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া ইউনিয়নের শরীফপুর গ্রামের রইছ আলীর বসতবাড়িতে ঘটনাটি ঘটে। আহত মহিলার নাম নুরজাহান বিবি(৬৫)। সে রইছ আলীর স্ত্রী। রক্তাক্ত ও জখম প্রাপ্ত অবস্থায় তাকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালের সাজারী বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শাশুড়ী নুরজাহান বিবি পুত্রবধু সহ চার জনের বিরুদ্ধে দিরাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। আহত শ্বাশুড়ী নুরজাহান বিবি জানান, আমার দুই ছেলে বাড়িতে না থাকার সুযোগে পুত্রবধু মারজানা বেগম প্রভাবশালী ভূমিখেকো মংলা মিয়া তার স্ত্রী কুলসুমা বেগম ও মুসলিমা বেগম বাহিনীর প্ররোচনায় ঘটনার দিন অথাৎ রবিবার সকালে আমার বসতঘরে থাকা প্রায় ১৪/১৫ বস্তা শুকনো ধাঁন চুরি করে নিয়ে মংলা মিয়ার বসতঘরে রাখে। তখন আমি পুত্রবধু মারজানা বেগমের কাছে কারণ জানতে চাইলে কথাকাটাকাটির এক পযার্য়ে মংলা মিয়ার হুকুমে মারজানা বেগম ঘর থেকে বটি দা নিয়ে আমাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে। বতমানে আমি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছি। মারজানা বেগম আমার সাথে ঝগড়া করে প্রায়ই বলে তার সন্তানকে প্রাণে মেরে আমাকে ফাঁসাবে। পুত্রবধু মারজানা বেগম আমার ঘরের বউ হওয়ার পর থেকেই স্বামী বাড়িতে না থাকায় ইকবাল হোসেন নামের একটি ছেলের সঙ্গে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে দুটি সন্তান রেখে টাকা পয়সা এবং স্বণঅলংকার নিয়ে পালিয়ে যায়। কিছুদিন পর তার অভিভাবকরা আবার আমার বাড়িতে নিয়ে আসে। দুটি নাতির কথা চিন্তা করে সব অতীত ভুলে গিয়ে মারজানাকে বুকে জড়িয়ে নেই। হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ এবং থানায় অভিযোগ করায় সময় সুযোগে আমার শরীরে গরম পানি ঢেলে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন। শ্বশুর রইছ আলী বলেন, বিয়ের পর থেকেই মারজানা বেগম তার ইচ্ছে মত চলাফেরা করে। মংলা মিয়ার কুপরামর্শে মারজানা বেগম ঘর থেকে স্বণ অলংকার এবং নগদ টাকা পয়সা চুরি করে নিয়ে মংলা মিয়াকে দিয়ে অন্যত বিক্রি করায়। এদিকে আমার রেকর্ডীয় সম্পত্তি মংলা মিয়া গং জবর দখল করে রেখেছে। তার লাটিয়াল বাহিনীর কারণে জায়গা দখল করতে পারছি না। আমার পুত্রবধুকে দিয়ে মংলা মিয়া গং পরিবারে খুন খারাপির পায়তারা করছে । দিরাই থানার সাব ইন্সপেক্টর আমির হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।