চলমান ডেস্ক ::বাংলাদেশে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় রেমাল গত (২৬ মে রাত) থেকে তান্ডব চালানো শুরু করে (২৭ মে) সোমবার পর্যন্ত তান্ডব চালাতে থাকে। এর ফলে উপকূল এলাকার মধ্যে বরিশাল, বরগুনা,ভোলা, পটুয়াখালী ও চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন জেলা উপজেলা এবং শহরেও এই তান্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এই রেমাল এর কারণে সারা দেশে প্রবল বৃষ্টির সাথে প্রচন্ড বেগে বাতাস বইছে এবং প্রবল বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকা তলিয়ে গেছে।
ঘূর্ণিঝড় রেমাল এর তান্ডবে সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন উপকূলবাসী। শুধু তাই নয় সারা দেশে ১৪ জনের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। এই তান্ডব লীলায় চরম বিপাকে রয়েছেন উপকূলের লাখ লাখ মানুষ।
(২৮ মে রোজ মঙ্গলবার) পাঠানো এক বিবৃতিতে এশিয়ান নারী ও শিশু অধিকার ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মোহাম্মদ আলী বলেন – প্রতি বছরে দূর্যোগের কবলে পড়ে উপকূলবাসীরা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রায় নিঃশ্ব হয়ে যায়। এই ক্ষতি এড়াতে সরকারের পক্ষ থেকে পদক্ষেপ নিলেও তা পর্যাপ্ত হয় না ফলে তারা ক্ষতিগ্রস্ত রয়েই যায়। বর্তমানে গত দুদিনে রেমাল নামক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ের কবলে উপকূলের লাখ লাখ বাসিন্দা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাই এই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সরকার এবং সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত্ব আহবান জানান তিনি।
সরকারের পাশাপাশি দেশের সকল বিত্তশালী- বিত্তবান, সামাজিক, অরাজনৈতিক সংস্থা সহ দলমত নির্বিশেষে দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাড়ানোরও আহবান জানানো হয়।
এই সময় তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে সরকার প্রধান ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়ার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ মনে করি। এবং আশা রাখি ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের প্রতি সরকারের বিশেষ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।