• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:০০ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
তারুণ্যের ছাত্রদল জেগে উঠলে গুপ্ত রাজনীতি টিকবে না-মহিবুর রহমান উলিপুরে কুলির টাকায় নির্মিত সেতু-২৫ বছরের দুর্ভোগের অবসান সুনামগঞ্জ সদর পৌরসভাকে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুবকদের অঙ্গীকার মনোরঞ্জন পরিবেশে সময় কাটানোর অতুলনীয় স্থান: উলিপুর টুপামারী (জিয়া) পুকুরপাড় সুনামগঞ্জে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান নড়াইলে হত্যা মামলার ১৭ আসামি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার, জেল হাজতে প্রেরণ শিমুলতলা মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার নতুন মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মাওলানা আবু সাঈদ (ঘাগটিয়া হুজুর) ছাতকে পুলিশের অভিযানে ৯৫ পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ওসির চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ,ডিউটির দায়বদ্ধতা ছাড়াতে ব্যবসায়ীর নৌকা জব্দ সদরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: অবৈধ বালু উত্তোলনে দুই ব্যক্তিকে জরিমানা
প্রকাশ : July 3, 2024

তাহিরপুরে পূর্ব  বিরোধের জেরে বর্ষার পানি নিষ্কাশন পথে ইট-পাথরের বাধঁ, ৫০ টি পরিবার পানিবন্ধী

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ১৪৫ জন পড়েছে
আপডেট : বুধবার, ৩ জুলাই, ২০২৪

স্টাফ রিপোর্টার::সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলায় বিরোধের জেরে বর্ষার পানি নিষ্কাশনের একমাত্র পথ ইটপাথর দিয়ে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেয় গ্রামের আমির হোসেন নামের প্রভাবশালী এক যুবক। যথা ফলে গত দুই বছর ধরে তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বাদাঘাট ইউনিয়নের ঘাগড়া গ্রামের ৫০টি পরিবারের প্রায় ৩শতাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে । পানি নিষ্কাশনের রাস্তা বন্ধ থাকায় জমে থাকা পানি শতবছরের পুরনো বাদাঘাট টু ঘাগড়া সড়কের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে তিন স্থানে ভেঙে গিয়ে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হওয়ার উপক্রম দেখা দিয়ে। গ্রামের পানি নিষ্কাশনের রাস্তায় দেয়া বাধঁ দ্রুত অপসারণ না করে দিলে এবং আরও কয়েক দিন এরকম টানা বৃষ্টিপাত হলে ওই সড়ক ভেঙে গিয়ে এর আশপাশে থাকা প্রায় ৫০ টি গ্রামের মানুষের এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতে দূর্ভাগা পোহাতে হবে। সেই সাথে জমে থাকা পানির কারণে এখানকার প্রায় ১০০ কেয়ার জমিতে( ৩০ শতাংশে এক কেয়ার) কোন ফসল না করতে পারায় গত দুই বছর ধরে অনাবাদি রয়েছে।

গতকাল ১ জুলাই সোমবার তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিনের কাছে গ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে ভুক্তভোগী প্রায় ৫০টি পরিবারের গণস্বাক্ষরীত একটি আবেদন করেন।

গতকাল ২ জুলাই মঙ্গলবার সকাল দশটায় সরেজমিনে ঘাগড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বর্ষায় ঘাগড়া গ্রামের বৃষ্টির পানি যুগযুগ ধরে যে নালা দিয়ে হাওরে গিয়ে পড়তো। সেই পানি নিষ্কাশনের নালা (রাস্তায়) ওই গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে আমির হোসেন (৩০) নিজের প্রভাব কাটিয়ে ইটপাথর দিয়ে স্থায়ীভাবে বাধঁ দিয়ে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা বন্ধ করে দেয়।

জানাযায়, গ্রামের লোকজনদের সাথে বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ওই বাধঁ দেয় আমির হোসেন।  যার ফলে দেখা গেছে, আটকে থাকা পানি ওই এলাকার একমাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র বাদাঘাট-ঘাগড়া সড়ক পানিতে ডুবে আছে। ওই সড়কের উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে সড়কের তিন স্থানে ভেঙে গিয়ে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম দেয়া দিয়েছে। পানি নিষ্কাশনের রাস্তা বন্ধ করে দেয়ায় জমে থাকা পানিতে গ্রামের খড়ের পালা, বাড়ি-ঘরের আঙিনা এবং সীমানা প্রাচীরের নীচ পর্যন্ত ছুঁই ছুঁই করছে বর্ষার পানি। অনেক বাড়িঘরের ভিতরে পানি উঠে যাওয়ায় তাদের ছোট ছোট শিশু ও পারিবার পরিজন নিয়ে পড়েছেন চরম বেকায়দা। ঘরের সামনে হাঁটু পানি থাকায় বর্ষার কালে মাসের পর মাস বাধ্য হয়েই তাদের ঘরের ভিতর খাটের উপর দিনরাত পাড় করতে হচ্ছে। নর্দমার পানির সাথে বর্ষার পানি মিশে নোংড়া হয়ে পড়েছে। কাজের চাপে সেই নোংড়া পানি ভেঙ্গে গ্রামের মানুষ যাতায়াত করলেও নারী এবং শিশুরা চলাচল করতে পারছে না। বাড়ির আঙিনায় পানি ওঠায় অনেকেই রান্নাও করতে পারছেন না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন