বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো চীফঃ
৭৫ এর হাতিয়ার গর্জে উঠুক আরেকবার এই ধরনের শ্লোগানকে কোনরকম বরদাস্ত করা হবে না। জানালেন খুলনার আওয়ামী লীগের সকল মহলের নেতাকর্মীরা।
তানারা আজকেরে শোডাউন শুরু করবার পূর্বে এটাও বলেছেন।
একটি গণতান্ত্রিক দেশে সকল রাজনৈতিক দলের স্বমঅধিকার আছে মিছিল-মিটিং ও গণসমাবেশ করার। কিন্তু তার বিনিময় এটানয় সমাবেশের নামে সন্ত্রাস নৈরাজ্য অরাজকতার মাধ্যমে মানুষ খুনের মতন জঘন্য অপকর্মে লিপ্ত হয়ে তাদের অপ কৃতকর্মকে সরকারের ওপর দায় বর্তানো নাটকীয় সাজানো লাশের মিছিল আর মেনে নেওয়া হবে না।
বিএনপি এখন ভঙ্গুর রাজনৈতিক নিষ্ক্রিয় দল। তাই তারা বিভিন্ন পন্থায় দেশ পরিচালনায় সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের সফল সরকারকে দোষারোপ করার পাঁয়তারা করে আবার ক্ষমতায় আসার নীলনকশার পরিকল্পনা করছে।
কিন্তু বিএনপি’র নেতাকর্মীরা জানে না দেশের জনগণ তাদের অনেক আগেই প্রত্যাখ্যান করেছেন।
তাই বিএনপি’র খুলনায় আগামীকাল (২২ অক্টোবর শনিবার) গণসমাবেশের একদিন আগে নগরীতে বিশাল শোডাউন দিয়েছে যুবলীগ ছাত্রলীগ স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে বিরোধী ষড়যন্ত্র নৈরাজ্য ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে তারা এই সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
এর আগে নগরীর শিববাড়ী মোড়ে শুক্রবার বিকাল ৪ টায় শুরু হয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সমাবেশ। সেখান থেকে বিকাল পাঁচটায় তারা দলীয় কার্যালয়ের দিকে বিশাল মিছিল নিয়ে অগ্রসর হয়।
এ সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ। আরো উপস্থিত ছিলেন না খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সুজিত অধিকারী সহ অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হারুনুর রশীদ বলেন সারাদেশে রাজনৈতিক কর্মসূচির নামে বিএনপি মিথ্যাচার করছে। সেই ক্ষেত্রে আজকের এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের মাধ্যমে তাদের সতর্ক করে দিতে চাই। আপনাদের কোনো পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নের সফল সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পারবেন না।