• ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
তারুণ্যের ছাত্রদল জেগে উঠলে গুপ্ত রাজনীতি টিকবে না-মহিবুর রহমান উলিপুরে কুলির টাকায় নির্মিত সেতু-২৫ বছরের দুর্ভোগের অবসান সুনামগঞ্জ সদর পৌরসভাকে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুবকদের অঙ্গীকার মনোরঞ্জন পরিবেশে সময় কাটানোর অতুলনীয় স্থান: উলিপুর টুপামারী (জিয়া) পুকুরপাড় সুনামগঞ্জে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান নড়াইলে হত্যা মামলার ১৭ আসামি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার, জেল হাজতে প্রেরণ শিমুলতলা মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার নতুন মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মাওলানা আবু সাঈদ (ঘাগটিয়া হুজুর) ছাতকে পুলিশের অভিযানে ৯৫ পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ওসির চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ,ডিউটির দায়বদ্ধতা ছাড়াতে ব্যবসায়ীর নৌকা জব্দ সদরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: অবৈধ বালু উত্তোলনে দুই ব্যক্তিকে জরিমানা
প্রকাশ : November 23, 2025

চরভদ্রাসনে পদ্মা নদীতে ৬টি  বাঁধ, ২টি বেশাল অপসারণ এবং ১০ টি চায়না দুয়ারী,  ১০ কেজি মাছ জব্দ

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ১৩৭ জন পড়েছে
আপডেট : রবিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০২৫

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধি: ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার পদ্মা নদীতে ৬টি অবৈধ আড়াআড়ি বাঁধ ও ২টি ‘বেশাল’ অপসারণসহ ১০টি চায়না দুয়ারী জব্দ এবং ১০ কেজি মাছ উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উপজেলা মৎস্য দপ্তর জানায়, এলাকায় একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে নদীতে আড়াআড়ি বাঁধ দিয়ে মাছ শিকার করছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালিত হয়।

চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরা খাতুনের নির্দেশনায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লবের নেতৃত্বে পদ্মা নদীতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযান চলাকালে চরভদ্রাসন থানার একটি চৌকস পুলিশ টিম সার্বিক সহযোগিতা করে। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মৎস্য দপ্তরের সকল কর্মচারী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের দুটি প্রভাবশালী মহলসহ কয়েকটি জেলে গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে এসব বাঁধ নির্মাণ করে অবৈধভাবে মাছ শিকার করে আসছিল। এতে নদীর প্রাকৃতিক মাছের প্রজনন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছিল এবং লক্ষ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযানে পদ্মা নদী থেকে ৬টি আড়াআড়ি বাঁধ এবং ২টি বেশাল অপসারণ করা হয়। এছাড়া অবৈধ ১০টি চায়না দুয়ারী ও ১০ কেজি মাছ জব্দ করা হয়। অপসারণকৃত বাঁধগুলোর মধ্যে একটি ছিল প্রায় ১ কিলোমিটার প্রস্থের এবং বাকি ৫টি বাঁধ ছিল ৫০০ মিটার করে—মোট ৩.৫ কিলোমিটার। পরে নিষিদ্ধ জাল ও চায়না দুয়ারীগুলো জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। জব্দ করা ১০ কেজি মাছ বাদল্লা ডাঙ্গী মাদ্রাসায় বিতরণ করা হয়।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা নাঈম হোসেন বিপ্লব বলেন, “মৎস্য প্রজাতি রক্ষায় পদ্মা নদীতে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। নদীতে মাছের অবাধ চলাচল ও প্রজনন নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিতভাবে চালানো হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন