• ঢাকা, বাংলাদেশ শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর থেকে ২৪১ বোতল বিদেশী মদসহ ০১ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৯ ছাতকে দাখিল পরিক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় দোয়া মাহফিল হাওর রক্ষা বাঁধে পাউবো ও প্রশাসনের অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদে সুনামগঞ্জ ও জামালগঞ্জে গণ-সমাবেশ ভুয়া “ভূমিহীন” পরিচয়ে খাস জমি দখলের হিড়িক: আমদাবাদে ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠ হুমকির মুখে পাইকগাছায় তাঁতীদলের সভাপতি শিমুলের বিরুদ্ধে ঘর দখলের অভিযোগ সুনামগঞ্জে জুলাইযোদ্ধা জহুর আলীকে খুন করার হুমকি দিল লীগ সন্ত্রাসী নিজাম উদ্দিন, পর্ব-২ সুনামগঞ্জ শান্তিগঞ্জের পূর্ব বিরগাঁও’এ ধর্ষণ মামলা তুলে নিতে চাপ, না মানায়—পা ভাঙল যুবকের ইরান যু/দ্ধে/র প্রভাবে কনডমের দাম বাড়তে পারে ভারতে লাউড়েরগড়ে যাদুকাটা নদীর পাড় কেটে বালু-পাথর উত্তোলন, হুমকিতে শতাধিক পরিবার সুনামগঞ্জে জুলাইযোদ্ধাকে গলা কেটে হত্যার হুমকি, থানায় জিডি
প্রকাশ : September 12, 2022

ফুলবাড়ীতে নদীর তীব্র ভাঙনে কমছে গ্রামের আয়তন

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ১৪৩ জন পড়েছে
আপডেট : সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২

১২-০৯-২০২২
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ
মোঃশাহজাহান খন্দকার।

ফুলবাড়ী উপজেলার পশ্চিম ধনিরাম গ্ৰামে ধরলা নদীর ভাঙন।কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় বন্যা-পরবর্তী ধরলা নদীর তীব্র ভাঙনে কয়েকটি গ্রামের আয়তন কমে আসছে। আড়াই মাসে নদীতে বিলীন হয়েছে ১২০ বিঘা ফসলি জমি, যাতায়াতের রাস্তা ও শতাধিক বসতভিটা। হুমকিতে রয়েছে তিন শতাধিক পরিবার।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের চর গোরকমণ্ডল ও বড়ভিটা ইউনিয়নের পূর্ব ধনিরাম ও পশ্চিম ধনিরাম গ্ৰামে ধরলা নদীতে বেশি ভাঙন দেখা দিয়েছে। ধরলার ভাঙনের তীব্রতা বাড়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের বসতবাড়ি, যাতায়াতের রাস্তা ও ফসলি জমি বিলীন হচ্ছে। নিঃস্ব হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। অনেকের বসতভিটা ভেঙে যাওয়ার তারা আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে আশ্রয় নিচ্ছে।

চর গোরকমণ্ডল গ্রামে ইতিমধ্যে বালারহাট-ফুলবাড়ী সড়কের প্রায় ৩০০ মিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের হুমকির মুখে পড়েছে তিন শতাধিক পরিবার। ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে পুরো গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা স্থানীয়দের।

পূর্ব ধনিরাম গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, মতিয়ার, ছাইফুল, মজিবর রহমান ও মোস্তফা সরকার বলেন, ‘ধরলার ভাঙনে সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছি। এক সপ্তাহে গ্রামের ছয়জনের বসতবাড়ি নদীতে চলে গেছে। আমাদের যাতায়াতের দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা নদীতে বিলীন হয়েছে। এখন জমির আইল দিয়ে উপজেলা সদরসহ হাটবাজারে যাতায়াত করতে হচ্ছে।’

পূর্ব ধনিরাম গ্রামের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাছুমা আকতার বলে, ‘আমাদের বিদ্যালয়টি নদীতে ভেঙে গেলে আমরা কোথায় পড়াশোনা করব?’ পশ্চিম ধনিরাম গ্ৰামের নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘আমার সাত বিঘা ফসলি জমি ছিল। তাতে চাষাবাদ করে সংসার চালাতাম। ভাঙনে সব জমি নদীতে বিলীন হয়েছে।’

এ প্রসঙ্গে নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাছেন আলী বলেন, চর গোরকমণ্ডল এলাকার ভাঙন রোধে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশসহ কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডে (পাউবো) পাঠানো হয়েছে।এর পরিপ্রেক্ষিতে পাউবো ২০০ জিও ব্যাগ দিয়েছে, যা দিয়ে ভাঙন রোধ করা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, ধরলা ও তিস্তা নদীর যেসব এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে, ওই সব এলাকা পরিদর্শন করে নদীভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ধরলার কিছু কিছু এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের কাজ চলমানও রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন