• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
মনোরঞ্জন পরিবেশে সময় কাটানোর অতুলনীয় স্থান: উলিপুর টুপামারী (জিয়া) পুকুরপাড় সুনামগঞ্জে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান নড়াইলে হত্যা মামলার ১৭ আসামি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার, জেল হাজতে প্রেরণ শিমুলতলা মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার নতুন মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মাওলানা আবু সাঈদ (ঘাগটিয়া হুজুর) ছাতকে পুলিশের অভিযানে ৯৫ পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ওসির চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ,ডিউটির দায়বদ্ধতা ছাড়াতে ব্যবসায়ীর নৌকা জব্দ সদরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: অবৈধ বালু উত্তোলনে দুই ব্যক্তিকে জরিমানা দিরাইয়ে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন, গ্রেফতারের দাবি সেতুর অপেক্ষায় পাঁচ গ্রাম, স্বাধীনতার পরও শেষ হয়নি দুর্ভোগ শান্তিগঞ্জে রিয়াজুল উলূম মাদ্রাসার উদ্বোধন
প্রকাশ : February 27, 2023

আজমিরীগঞ্জে ভূয়া ঠিকানা দিয়ে সরকারি চাকরি

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ১৫৩ জন পড়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩

 

এস কে সিরাজুল ইসলাম, জেলা প্রতিনিধি হবিগঞ্জ , 

আজমিরীগঞ্জ উপজেলায় ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে মোঃ তজমুল হক নামে এক ব্যক্তি উপ-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে অবৈধভাবে নিয়োগ লাভ করে চাকুরি করে আসছেন।

তিনি বর্তমানে বানিয়াচং উপজেলার ৩নং বানিয়াচং দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়নের মধুখানি গ্রামে ঠিকানা ব্যবহার করছেন। তবে ওই ঠিকানা ব্যবহার করে চাকুরি করলেও সেখানেও তিনি বসবাস করেন না বলে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, তার স্থায়ী ও প্রকৃত ঠিকানা সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়ন পরিষদের দামপুরে। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা মৃত জায়েদ মুন্সির পুত্র। দীর্ঘ সাংসারিক জীবনে ২ পুত্র ও ৪ কন্যা সন্তানের জন্ম দেন জায়েদ মুন্সি।

এর মধ্যে বড় ছেলে মোঃ তজমুল হক আজমিরীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এবং ছোট ছেলে কামরুল ইসলাম স্থানীয় শাল্লা উপজেলায় একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতার করে আসছেন।

মোঃ তজমুল হকের মা ছোট ছেলে কামরুল ইসলামের সাথেই আছেন। তজমুল হক বানিয়াচং উপজেলার ৩নং বানিয়াচং দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়নের মধুখানি গ্রামে ঠিকানায় স্থায়ী বাসিন্দা সেজে উপ-সহকারী প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ লাভ পেয়েছেন। কিন্তু তাকে ওই এলাকার কেউই চিনেন না। এমনকি তার মা-বাবাও এখানকার মানুষের অপরিচিত।

জানা যায়, মোঃ তজমুল হক চাকরি ও নাগরিকত্ব লাভের আশায় বানিয়াচং উপজেলার মধুখানি এলাকায় দীর্ঘদিন আগে জমি ক্রয় করেন। পরে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ট্যাক্স রসিদ সংগ্রহ করেন। সেই রসিদ ব্যবহার করে জাতীয় পরিচয়পত্রের ঠিকানা পরিবর্তন করে চাকুরি লাভ করেন।

সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার ৪নং শাল্লা ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য সিরাজ মিয়া ‘দৈনিক চলমান বাংলাদেশ কে জানান, তজমুল হক দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বাহিরে। শুনেছি তিনি আজমিরীগঞ্জের কোন এক জায়গার সরকারি চাকুরী করেন। তার আরেক ভাই স্থানীয় মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।

তজমুল হকের মা’ ছোট ভাই কামরুল ইসলামের সাথে শাল্লাতেই বসবাস করেন। তাদের স্থায়ী ঠিকানা এখানেই। এলাকায় না থাকায় তজমুল হকের একটি পাকা বাড়ি জনশুন্য হয়ে পড়ে আছে।

বানিয়াচং উপজেলার ৩নং বানিয়াচং দক্ষিণ-পূর্ব ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড সদস্য সৈয়দ নুরুল হুদা জানান, তজমুল হক দীর্ঘদিন আগে মধুখানি গ্রামে জমি ক্রয় করে বাড়ি বানিয়েছেন। নিয়মিত ইউপি ট্যাক্স এবং ভোটাধিকারও প্রয়োগ করছেন তিনি। তবে বানিয়াচংয়ে তাকে খুব একটা দেখা যায় না। মাঝে মাঝে বাজারে চায়ের দোকানে দেখা যায় তাকে।

অভিযুক্ত তজমুল হক দৈনিক চলমান বাংলাদেশ কে বলেন, ‘আমার জন্মস্থান সুনামগঞ্জে। তবে আমি দীর্ঘদিন ধরে বানিয়াচংয়ে বসবাস করে আসছি। বিয়ে করেছি যাত্রাপাশা গ্রামে। আমি এখানকার স্থায়ী বাসিন্দা’।

উল্লেখ্য, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী স্ব-স্ব জেলার স্থায়ী বাসিন্দা ছাড়া অন্য কেউ ওই দপ্তরে কেউ চাকুরি লাভ করতে পারবেন না বলে নীতিমালা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন