• ঢাকা, বাংলাদেশ শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
২০ নং ওয়ার্ডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে কমিশনার পদপ্রার্থী হাজী হৃদয় খান নয়ন মধ্যনগরের বংশীকুন্ডা বাজারে প্রতি শনিবারে বসবে সাপ্তাহিক পশুর হাট এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ও দারুসসালাম ইউনিভার্সিটির মধ্যে ঐতিহাসিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর চিলমারীতে বাড়ির পাশে বাঁশঝোপে মিলল নিখোঁজ শিশু আয়শার মরদেহ শান্তিগঞ্জে বোরো ধান কর্তন উৎসব ২০২৬ উদ্বোধন করেন, এম কয়ছর-এমপি মধ্যনগরে গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পে লুটপাটের অভিযোগ গোয়াইনঘাট প্রবাসী সমাজকল্যাণ পরিষদ ইউকে শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা উলিপুরে প্রস্তাবিত বাইপাস সড়ক প্রকল্প পরিদর্শনে-মাহবুবুল আলম সালেহী সিলেটে ব্যবসায়ী ও তাঁর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি ও অপপ্রচারের অভিযোগ সুনামগঞ্জে তৃণমূল দায়িত্বশীলদের নিয়ে ইসলামী আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত
প্রকাশ : March 20, 2023

খুলনায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে আনফিট থ্রি হুইলার : এতে অবাধে ঝরছে প্রাণ!!

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ১৫৩ জন পড়েছে
আপডেট : সোমবার, ২০ মার্চ, ২০২৩

 

বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো চীফ :

খুলনায় বেড়েছে লাইসেন্সবিহীন
থ্রী হুইলার মাহেন্দ্র সাথে রয়েছে ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক।
এরা এখন বেপরোয়া রাস্তায় রাজা পাল্লা দিয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সড়ক-মহাসড়কে।
এতে করে প্রতিনিয়ত ঘটছে অহরহ দুর্ঘটনায় জীবন দিতে হচ্ছে সাধারণ পথচারীদের। আর এ সকল আনফিট থ্রি হুইলার মাহেন্দ্র নিয়ে অধিকাংশ লাইসেন্স বিহীন অনভিজ্ঞ চালকরা শহরে ঢুকছে খুলনা জেলার ডুমুরিয়া চুকনগর ফুলতলা থেকে জেলার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে দিয়ে গল্লামারি হয়ে প্রায় শত শত মাহেন্দ্রা।
যার কারণে প্রতিনিয়ত সড়কে ঘটছে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। এতে করে অকালে প্রাণ হারাচ্ছে নিরীহ পথচারীরা।
আর এ সকল দুর্ঘটনার অন্তরালে রয়েছে আনফিটনেস গাড়ি ও অনভিজ্ঞ চালক।
এক্ষেত্রে খুলনা সিটি কর্পোরেশন সূত্রে চলমান বাংলাদেশের এক প্রতিবেদক অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী বর্তমানে শহর ভিত্তিক চলাচলের জন্য ব্যাটারি চালিত ইজি বাইকের সংখ্যা ৩০ থেকে ৩৫ হাজার সাথে অটোরিকশা রয়েছে ৭০ থেকে ৭৫ হাজার পাশাপাশি থ্রি হুইলার মাহেন্দ্র চলাচলের অনুমোদন না থাকলেও এই অবৈধ মাহেন্দ্র দাপিয়ে বেড়াচ্ছে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক দিয়ে ।
পাশাপাশি অভিযোগে উঠে আসে অনুমোদনহীন গাড়িগুলো পুলিশও ট্রাফিকের সাথে গোপনে আঁতাত করে মাসোয়ারা দিয়ে অবাধে চলছে সড়ক মহাসড়ক জুড়ে অধিকাংশ অনভিজ্ঞ অল্প বয়সি ড্রাইভার দ্বারা পাল্লা দিয়ে থ্রি হুইলার মাহেন্দ্র।
আর এই অল্প বয়সী অনভিজ্ঞ ড্রাইভারা রোড এন্ড হাইওয়েতে গাড়ি চলাচলের নিয়ম-কানুন অনেকাংশে না জেনে না বুঝে বেগতিকভাবে গাড়ি চালানোর কারণে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা।
আর এ সকল অবৈধ লাইসেন্সবিহীন গাড়িগুলোর জন্য শহরের সৃষ্টি হচ্ছে যানজট। তার কারনে পথচারীদের পথ চলাটা হয়েছে দুষ্কর বলে চলমান বাংলাদেশের প্রতিবেদক কে জানান খুলনা নগর উন্নয়ন কমিটির প্রকৌশলী সুজয় কুমার দেবনাথ।
তথ্য অনুসন্ধানে উঠে আসে খুলনা সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক নগরীতে চলাচলের জন্য রিকশা ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক সহ অন্যান্য যে সকল গাড়িগুলোর লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে তার তুলনায় অন্তত তিন থেকে চার গুণ বেশি লাইসেন্স বিহীন রিক্সা ইজিবাইক ছাড়া ভাঙ্গাচুরা গাড়ি।
এর মধ্যে বেশ কিছু গাড়ি যাত্রীবহন তো দূরের কথা সাধারনত ভাবে নিজেদের কাজে ব্যক্তিগত মালবাহী গাড়ি হিসেবে অনুপযোগী এমন সংখ্যক অনেক গাড়ি হর হামেশা ডিউটিরত ট্রাফিক পুলিশ ও ট্রাফিক সার্জেন্টদের সামনে দিয়ে গাড়ি বোঝাই করে যাত্রী নিয়ে চলছে।
আর এই সকল আনফিট ও লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চলাচল করলেও গাড়ির মালিকদের নিকট থেকে উৎকোচ নেওয়ার কারণে দেখেও না দেখার ভান করে অন্যদিকে ফিরে ডিউটি করতে দেখা গেছে কর্মরত ট্রাফিক পুলিশদের।
এ ব্যাপারে নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়ের কর্মরত ট্রাফিক পুলিশ মোসলেম ট্রাফিকের কাছে বিষয়টি খতিয়ে জানতে চাইলে ট্রাফিক মোসলেম মিয়া দায়সারা কিছু তথ্য যেমন আমরা কোন মোড়ে বা সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে দীর্ঘক্ষন গাড়ি রিকশাও ইজি বাইক যেন যত্রতত্র থেমে যাত্রী উঠান নামার কারণে যানজট সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে আমরা নজরদারি করছি বলে তড়িঘড়ি করে রাস্তার অপরদিকে চলে যায়।
এদিকে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মোহাম্মদ এজাজ মোর্শেদ চৌধুরী বলেন নগরীসহ খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় যত গাড়ি চলাচল করে সব গাড়ির লাইসেন্স দেওয়ার দায়িত্ব সি টি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক নিজের তত্ত্বাবধানে রেখে সঠিক পরীক্ষাও যাচাই-বাছাই করে লাইসেন্স হস্তান্তর করে থাকেন।
সেই ক্ষেত্রে লাইসেন্স নিয়ে কারো সুপারিশ সিটি মেয়র পাত্তা দেন না। এবং মেয়র জোর গলায় এটাও বলেন আমি বা আমার অফিসিয়াল কর্মকর্তাগণ সর্বক্ষণ সড়কে থেকে তদারকি করা সম্ভব না।
লাইসেন্স সংক্রান্ত বিষয়ে সিটি মেয়র বলেন হালনাগাদ লাইসেন্স নবায়নের সময় সকল গাড়ি সরেজমিনে এনে নগর ভবনের কর্মকর্তাগণের দ্বারা গাড়ি রিকশা আর ইজিবাইক মাহিন্দ্রা হোক সকল গাড়ির বডি পরীক্ষা করে যেগুলো সড়কে চলাচলের উপযোগী সেই গাড়িগুলোর লাইসেন্স প্রদান করা হবে।
আর যেগুলো সড়কে চলাচলের অনুপযোগী সেগুলোর লাইসেন্স বাতিল করা হবে বলে সিটি মেয়র জানান।
পাশাপাশি খুলনা জেলার রোড এন্ড হাইওয়ের কর্মকর্তা মোঃ মিজান শেখ বলেন লাইসেন্স বিহীন আণভিজ্ঞ ড্রাইভার দ্বারা গাড়ি চালানোর কারণে যেমন প্রতিনিয়ত মানুষ দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে ঠিক তদ্রূপ দিন দিন স্থানীয় সরকার কর্তৃপক্ষ বাজেট অনুপাতে সড়ক প্রসারিত করলেও সড়ক দখল করে ফুটপাত ব্যবসায়ীরা ফুটপাত দখলের কারণে প্রশস্ত সড়ক ও ক্রমান্বয়ে সংকীর্ণ হওয়াতে সড়ক দুর্ঘটনার একটা কারণ হিসেবে তিনি দেখছেন।
এবং সিটি কর্পোরেশনের লাইসেন্সের আওতায় থাকা বিভিন্ন অনিবন্ধিত সকল গাড়ি নির্বাহী ভ্রাম্যমান ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযান চালিয়ে অবৈধ সব গাড়ি রিকশা ও ইজিবাইক আটক করে আইনের আওতায় আনতে পারলে কিছুটা হলেও সড়কের স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরবে বলে সাধারণ জনগণের মতামত।
শহরও আশপাশে দুর্ঘটনা কবলিত স্থান হিসেবে চিহ্নিত এলাকার মধ্যো রয়েছে সাতক্ষীরা মহাসড়ক বিশ্ব রোড নোয়াপাড়া থেকে দৌলতপুর রুপসা কুদির বটতলা থেকে কাটাখালি মোড়।
উল্লেখিত স্থান গুলোতে কোন রোড ডিভাইডার ও ট্রাফিক সিগন্যাল না থাকার কারণে প্রশস্ত মহাসড়ক দিয়ে দূরপাল্লার ভারী যানবাহনের সাথে পাল্লা দিয়ে দাপিয়ে বেড়ানোর কারণে বেশিরভাগ থ্রি হুইলার মাহেন্দ্র চালকদের বাস্তবে অভিজ্ঞতা না থাকায় দুর্ঘটনা ঘটছে।
তথ্যসূত্রে আরও জানা যায় থ্রি হুইলার অধিকাংশ গাড়ির চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স পর্যন্ত নাই
তাসত্ত্বেও গাড়ির মালিকদের ক্ষমতার দাপটে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকছে অনভিজ্ঞ লাইসেন্সবিহীন চালকরা। আর এতে করে আতঙ্কে থাকে মাহেন্দ্র ও ইজিবাইক রিক্সা আরোহী যাত্রীরা এদের বিশৃঙ্খল বেপরোয়া গাড়ি চালানো কখন যেন দূর্ঘটনায় পতিত হতে হয় আমাদের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন