স্টারফরন্টার::
সুনামের জামালগঞ্জের ফেনারগঞ্জ ইউনিয়নের হটামারা আগুনের মতো জয় ৩৮ কৃষকের ঘর গড়ে ভস্মীভূত হয়েছে। সোমবার দুপুর প্রায় ১ হটামারা গ্রামের বাসি মো আমিন মি’র ঘর থেকে বৈদ্যুতিক লাইনে সটসার্কিট হতে আগুনের বোমাপাত জানাতে জানান স্থানীয়রা। এ ছাড়া প্রায় ৮০ টাকা সমমান ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন কৃষক পরিবার পরিপন্থী।
দুপুরে আগুনের সূত্রপাতেই হঠামারা গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শীরা চিৎকার শুরু করে। এরপর আশপাশে থাকা কিছু লোক দৌড়ে এসে আগুন নেভানোর প্রাণান্তকর চেষ্টা করে। এ সময় ধীরে ধীরে আগুনের লেলিহান শিখা বাড়তে থাকে। এ সময় গ্রামের বেশীর ভাগ পুরুষ বোরো মৌসুমে তাদের কৃষি কাজে জমিতে কাজ করছিলেন। পড়ে কৃষকরা তাদের গ্রামে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে দ্রুত বাড়িতে চলে গিয়ে প্রায় ২ ঘন্টা পর আগুন নেভাতে সক্ষম হন। গ্রামটি খুব ঘনবসতি হওয়ায় আগুন লাগার পর দ্রুত প্রতিবেশীদের ঘরে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ওই গ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব ভালো না থাকায় জেলা সদর থেকে ফায়ার সার্ভিসের কোন দল সেখানে যেতে পারেনি।
এ পর্যন্ত এখনও পর্যন্ত সন্তানদের মধ্যে যাতে তারা নাম জানে, আমি সোহেল ইয়্যা, শামসুল আলম, জাহির ই, মুনাফই, অরুনা বেগম, রব্বানীই, আলমগীর, রাজা, মস্কুর, হালানই, নুরজাহান, বছর মিঞা মুতুল্লির বউউ, নজরুল, ইসানুর, জহিরুল ইসলাম, হরজুল, সাদ, আমিরুল, রোকশানা, বকুল মেম্বার, নুরজালাল মাস্তার, দুলাল, আলমগীর সহ আরো ব্যক্তি।
এঘটনার খবর জামালগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ বিশ্বজিত দেব ছু যান হঠামারা এগিয়ে।
তিনি জানান, গ্রামবাসীদের ভাষা ভাষায় ৩৮টি ঘর পুড়েছে। স্মারক করা হচ্ছে প্রায় ৬০-৭০ লক্ষ্য ক্ষয়ক্ষতি করতে হবে। স্বতন্ত্র পরিবারকে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে শুকনো খাবার ও কম্বল বিতরন করা হচ্ছে। নিরুপণ করে ঘর মেরামতের জন্য টিনসহ পরবর্তী জিনিসপত্রকে সহায়তা প্রদান করতে হবে।