চলমান ডেক্স:সুনামগঞ্জ জেলা মডেল মসজিদের হলরুমে
“বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি সুনামগঞ্জ পৌরসভা শাখা’র উদ্দ্যোগে দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শাখা’র সভাপতি মুফতি মুবাশ্বির আলী বর্মাউত্তরী’র সভাপতিত্বে ও শাখার সাধারণ সম্পাদক মাওলানা গোলাম মৌলা ও মুফতি মোস্তফা কামাল শিহাবীর যৌথ সঞ্চালনায়,হাফিজ মাওলানা উসমান গনির পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত এবং
পৌর শাখা’র সংগ্রামী সভাপতি মুফতি মুবাশ্বির উদ্ভোধনী বক্তব্যের মাধ্যম শুরু হয়।
দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন জেলা সভাপতি হাফিজ ইদ্রিস আহমদ, জেলা সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা নূর হোসাইন, উপজেলা সভাপতি মাওলানা মুজিবুর রহমান, মুফতি সালমান মাজহারী, মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ নোমান প্রমুখ।
বক্তারা বলেন ফ্যাসিবাদী জালিম আওয়ামী সরকারের ষোল বছরে নির্যাতন নিপীড়ন থেকে এদেশের মানুষ মুক্তি পেয়েছে ছাত্র জনতার আন্দোলন ও গণ অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। এই গণ অভ্যুত্থানে প্রায় ১৬ শত মানুষ শহীদ হয়েছেন, প্রায় ২০ হাজার তৌহিদি জনতা আহত হয়েছেন।
জুলাই আন্দোলনে উলামায়ে কেরাম ও ক্বওমী মাদ্রাসার ছাত্রদের অবদান অবিস্মরণীয় ছিল।বক্তারা বলেন, জুলাই স্বাধীনতা সনদে আলেম-উলামা ও ক্বওমী ছাত্রদের স্বীকৃতি দিতে হবে।
যদি স্বীকৃতি সনদে ক্বওমী ছাত্র ও উলামায়ে কেরামের অবদান অস্বীকার বা অনুল্যেখ করা হয় তাহলে এই সনদ জাতি মেনে নিবে না! প্রয়োজনে আবার যুদ্ধ হবে।
এছাড়াও বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সুনামগঞ্জ জেলা সমন্বয়ক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ সাকিব বলেন, গণঅভ্যুত্থানে মসজিদের ইমাম আলেম-ওলামা ও মাদ্রাসার ছাত্রদের বিশেষ অবদান স্বরণীয় হয়ে থাকবে। আলেম উলামা ও মাদ্রাসা ছাত্রদের এ অবদানের স্বীকৃতি দিতে যেখানে যেখানে কথা বলার দরকার আমি আমার জায়গা থেকে কথা বলে যাব ইনশাআল্লাহ।
পরিশেষে শহীদ আবু সাঈদ ও মীর মুগ্ধ সহ সকল শহীদদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও আহতদের সুস্থতা কামনা করে মোনাজাতের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।