• ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
মনোরঞ্জন পরিবেশে সময় কাটানোর অতুলনীয় স্থান: উলিপুর টুপামারী (জিয়া) পুকুরপাড় সুনামগঞ্জে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান নড়াইলে হত্যা মামলার ১৭ আসামি আদালত প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেপ্তার, জেল হাজতে প্রেরণ শিমুলতলা মদিনাতুল উলুম মাদ্রাসার নতুন মুহতামিম হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন মাওলানা আবু সাঈদ (ঘাগটিয়া হুজুর) ছাতকে পুলিশের অভিযানে ৯৫ পিচ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ওসির চোখ ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে ধোপাজান নদীতে বালু লুটপাটের অভিযোগ,ডিউটির দায়বদ্ধতা ছাড়াতে ব্যবসায়ীর নৌকা জব্দ সদরপুরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: অবৈধ বালু উত্তোলনে দুই ব্যক্তিকে জরিমানা দিরাইয়ে সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধন, গ্রেফতারের দাবি সেতুর অপেক্ষায় পাঁচ গ্রাম, স্বাধীনতার পরও শেষ হয়নি দুর্ভোগ শান্তিগঞ্জে রিয়াজুল উলূম মাদ্রাসার উদ্বোধন
প্রকাশ : October 4, 2025

সুনামগঞ্জে সাংবাদিকের উপর হামলার মামলায় নতুন মোড় পুনরায় তদন্তে নেমেছে পিবিআই

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ১৬৮ জন পড়েছে
আপডেট : শনিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৫

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:সুনামগঞ্জের সীমান্তবর্তী বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চিনাকান্দি এলাকায় নাগরিক টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি ও অনলাইন কালের নিউজ-এর সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর উপর হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।

ঘটনার পর আসামী সেলিম নামে একজনকে নেশাগ্রস্ত অবস্থায় পুলিশ আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করে।প্রথমে বিশ্বম্ভরপুর থানা পুলিশ তদন্ত করে মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেয়। তবে মামলার বাদী সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান বাবু অভিযোগ করেন— থানা পুলিশ উদ্দেশ্যমূলকভাবে মিথ্যা ও ভুয়া তদন্ত করেছে এবং প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার চেষ্টা করেছে। এ নিয়ে তিনি আদালতে না-নারাজি আবেদন করেন।

বাদীর আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত নতুন করে মামলার তদন্তভার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর হাতে তুলে দেয়। বর্তমানে পিবিআই মামলাটির তদন্তে নেমেছে এবং নতুনভাবে সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করছে বলে জানা গেছে।

হামলার ঘটনা গত ২০ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) রাতে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার চিনাকান্দি সীমান্ত এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। অভিযোগ অনুযায়ী, স্থানীয় হোসেন খা (৪৫), মুনায়েম খা (৩৪), ফুরকান খা (৪০), আলমগীর (৩৫) সেলিম (২৮) সহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাংবাদিক মোস্তাফিজুর রহমান বাবুর উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

হামলাকারীরা শুধু তাকে মারাত্মকভাবে জখমই করেনি, বরং তার বাড়িঘর ভাঙচুর করে এবং নগদ তিন লক্ষ টাকা, একটি প্যানাসনিক ক্যামেরা ও একটি ভিভো স্মার্টফোন লুট করে নিয়ে যায়। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

সাংবাদিক বাবুর দাবি, তিনি অনলাইন কালের নিউজ-এ একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিলেন এবং তা নাগরিক টেলিভিশনে প্রচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এর জের ধরেই তার উপর পরিকল্পিত ভাবে এই হামলা চালানো হয়।

ঘটনার পর স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা বলেন, একটি সংবাদ প্রকাশের কারণে একজন সাংবাদিককে এমন নৃশংসভাবে হামলার শিকার হতে হওয়া গণমাধ্যমের জন্য বড় হুমকি। প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

প্রথম তদন্তে থানা পুলিশ যেভাবে চার্জশিট দিয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মামলার বাদীসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা। তাদের অভিযোগ, আসল অভিযুক্তদের বাঁচাতে পুলিশ পক্ষপাতদুষ্ট ভূমিকা নিয়েছে।
তবে নতুন করে পিবিআই তদন্ত শুরু করায় সাংবাদিক মহল আশা করছে, প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে এবং হামলার সাথে জড়িতরা শাস্তি পাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন