মোঃ আব্দুল শহীদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার দরগাপাশা ইউনিয়নের বীরকলস গ্রামের মাটি ভরাট রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের কাজ না করে বরাদ্দ উত্তোলন করে আত্নসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান মিয়ার বিরুদ্ধে। স্থানীয় ও ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ২০২১-২০২২ অথ বছরের টিআর কমসূচীর আওতায় (২ পযায়) বীরকলস গ্রামের মানিক দাসের বাড়ি হতে এলজিইডির রাস্তা পর্যন্ত মাটি ভরাট প্রকল্পের নির্মাণ কাজ না করে বরাদ্দ উত্তোলন করে আত্নসাতের অভিযোগ ভুক্তভোগীদের। ভুক্তভোগী আবু সুফিয়ান সুফি বলেন, আমাদের গ্রামের সবস্তরের জনসাধারণ সহ স্কুলগামী কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা চোরা বাঁশের শাকু দিয়ে প্রতিনিয়ত চলাচল করে থাকেন। এই অবস্থা দেখে চেয়ারম্যান সাহেব অন্য প্রজেক্ট বাদ দিয়ে জরুরী ভিত্তিতে মেম্বার সাহেবকে ডেকে নিয়ে প্রকল্পের পিআইসি বানিয়ে ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছিলেন। কিন্তু মেম্বার সাহেব রাস্তায় মাএ দুই ট্র্যাক মাটি ফেলে বরাদ্দ উত্তোলন করে আত্নসাৎ করেছেন। ভুক্তভোগীরা বিষয়টি চেয়ারম্যান সাহেবকে অবহিত করলে তিনি নিজে সরেজমিন পরিদর্শন করে মেম্বার সাহেবকে ডেকে কাজের বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে মেম্বার সাহেব বলেন বন্যার সোতে মাটি চলে গেছে। পূনরায় কাজ করে দেব। মেম্বার নিজে সরকারি বরাদ্দ আত্নসাত করে উল্টো চেয়ারম্যান সাহেব বিভিন্ন প্রকল্পের বরাদ্দ আত্নসাত করেছেন মমে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ করেছেন। চেয়ারম্যান সাহেব আত্নসাৎকারী লোক নয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন শিক্ষক বলেন, দীর্ঘ দিন যাবৎ আমাদের স্কুল বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। রাস্তাটি নির্মাণ হলে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের শাকু দিয়ে প্রতিনিয়ত আসতে হতো না। স্কুলের সামনে অনেক খালি জায়গা রয়েছে। সেখানে মাটি ভরাট করতে পারলে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলার মাঠ হত। দরগাপাশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুফি মিয়া বলেন, দ্বিতীয় পর্যায়ে টিআর কমসূচীর আওতায় যে বরাদ্দ এসেছিল আমি ৫ জন সদস্যকে স্ব স্ব ওয়াডে পিআইসি করে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা নির্মাণের জন্য বরাদ্দ দিয়েছিলাম। কিন্তু ৪ জন সদস্য কাজ বাস্তবায়ন করে বরাদ্দ উত্তোলন করেছেন। শুধু মাত্র শাহজাহান মেম্বার মাটি ভরাট কাজ না করে বরাদ্দ উত্তোলন করে আত্নসাত করেছেন ভুক্তভোগীরা আমাকে জানান। কাজের সঠিক তদারকি করায় শাহজাহান মিয়া গংরা আমার বিরুদ্ধে বরাদ্দ আত্নসাতের অভিযোগ করেছেন।