• ঢাকা, বাংলাদেশ বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
  • [কনভাটার]
শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস উপলক্ষে কুড়িগ্রামে শোভাযাত্রা ও মানববন্ধন আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস ২০২৬” উপলক্ষ্যে সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা শব্দ দূষণ রোধে সুনামগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের মোবাইল কোর্ট সুনামগঞ্জ সদর পৌর শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থা এখন ডাস্টবিন পানি নিষ্কাশ বন্ধ,জলাবদ্ধতায় স্বাস্থ্য ঝুঁকি সুনামগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার্থীর ওপর কিশোর গ্যাং-এর হামলা, থানায় অভিযোগ সুনামগঞ্জে অবৈধ করাত কল বন্ধের দাবিতে পরিবেশ অধিদপ্তরে অভিযোগ বিশ্বম্ভরপুরে র‍্যাবের অভিযানে ৪৬ বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেফতার-১ সুনামগঞ্জের সাবেক এমপি দেওয়ান শামসুল আবেদীন আর নেই সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শায়িত হলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রশিদ শান্তিগঞ্জে নিবন্ধনবিহীন সমিতি কোটি টাকা নিয়ে উধাও,রায়হানে কুকর্ম পাস
প্রকাশ : September 5, 2022

নীলফামারীতে ৫ শিক্ষার্থীর শিক্ষার্থীর বিদ্যালয় হলো এমপিও ভুক্ত

📸 Photo Card Download

রিপোর্টার নাম / ৩৬৭ জন পড়েছে
আপডেট : সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২

নীলফামারীতে ৫ শিক্ষার্থীর শিক্ষার্থীর বিদ্যালয় হলো এমপিও ভুক্

তপন দাস
নীলফামারী প্রতিনিধি
নীলফামারীর ডিমলায় গয়াবাড়ী ইউনিয়নে মর্ডান নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় শিক্ষার্থী না থাকলেও গত জুলাই মাসে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে । কয়েক বছর ধরে বন্ধ থাকা একটি ভূতুড়ে প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হওয়ায় শিক্ষকরা আনন্দিত হলেও
বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও স্থানীয় মহলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায় মাঝে মাঝে এর অফিস খোলা হলেও আসে না কোন শিক্ষার্থী। তারপরও কিভাবে এমপিওভূক্ত হয় এই স্কুলটি প্রশ্ন এলাকাবাসীর।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠানটি কাগজে কলমে স্থাপন দেখানো হয়েছে ।এমপিও ভুক্ত আবেদনের সময় ২০২০ সালে সেখানে তৈরি করা হয় পুরানো টিনের ঘর। ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা আসাদুজ্জামান বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক। নতুন ওই বিদ্যালয়ে তার বোন আতিকা বেগম ও ভগ্নিপতি আব্দুল মতিনকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। আর বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রধান শিক্ষকের বড় ভাই মোখলেছুর রহমান।

সরজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণি কক্ষে ৪-৫ জন শিক্ষার্থী বসে লুডু খেলছে। তাদের দুই একজনের কাছে স্কুল ব্যাগ থাকলেও নেই খাতা কলম। শিক্ষার্থী শুন্য বাকি দুটি শ্রেনীকক্ষ পরিত্যক্ত জরাজীর্ণ।একটিতে মোটরসাইকেল ও অপরটিতে কাঠখড় রাখা হয়েছে। অফিস কক্ষে বসে আছেন চারজন সহকারী শিক্ষক। বিদ্যালয়ের জায়গায় ঠিকাদারি কাজের জন্য সিসি ব্লকের স্তুপ।
অভিযোগ রয়েছে- গত জুলাই মাসে বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত হওয়ার পর থেকে গ্রামের ৫ থেকে ৭জন শিক্ষার্থীদের বিনা পয়সায় প্রাইভেট পড়ানোর নামে শ্রেণি কার্যক্রম সচল দেখানো হচ্ছে। যদিও শিক্ষকরা দাবি করেছেন, এসব শিক্ষার্থী তাদের বিদ্যালয়ের।তখন শিক্ষার্থীদের হাজিরা খাতা দেখতে চাইলে শিক্ষকরা তা দেখাতে পারেননি।
স্কুলের পাশের বাড়ির এক ব্যক্তি বলেন, এই স্কুলে অন্য প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ধার করে এনে ভর্তি দেখানো হয়েছে। তাদের দিয়েই ভর্তি ও পরীক্ষার্থী হিসেবে দেখানো হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সহকারি শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান ঠিকাদারী কাজে ব্যস্ত থাকেন বলে বিদ্যালয়ে সময় দিতে পারেন না।
এমপিওভুক্ত হওয়ার শর্ত হলো প্রত্যেক শ্রেণিতে কমপক্ষে ৩০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। আর পাবলিক পরীক্ষায় কমপক্ষে ২৫ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া বিদ্যালয়ে একটি খেলার মাঠ থাকতে হবে। নিজস্ব জমি থাকতে হবে। কাগজে কলমে জমি থাকলেও বাস্তবে এই বিদ্যালয়ের দখলে নির্দিষ্ট পরিমাণ জমি নেই।
এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীরা স্কুলে না আসলে শিক্ষকরা কি করবে।তবে স্কুলে না আসলেও পরীক্ষায় ঠিকই অংশগ্রহণ করে তারা।তবে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানোর জন্য অভিভাবকদের সাথে নিয়মিত আলোচনা করছি।
বিদ্যালয়ের সভাপতি মোখলেছুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর সংখ্যা আমার জানা নেই। আজকে ৫ জন উপস্থিত হয়েছে বলে শুনেছি ।তিনি বলেন, শুরুতে নয়ছয় করে প্রতিষ্ঠান দাড় করায়নি এমন প্রতিষ্ঠান খুজে পাওয়া যাবে না। তবে এমপিও যেহেতু হয়েছে আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে যাবে।শিক্ষকদের বলেছি স্কুলে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির ১৪ হাজার টাকা আছে ।সেই টাকা দিয়ে টিন কিনে বারান্দা তৈরি করতে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমি অবগত নই। তবে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।অনিয়ম হলে যাঁরা এমপিও দিতে পারেন, তারা বাতিলও করতে পারেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটেগরির আরো খবর পড়ুন