স্টাফ রিপোর্টার: সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় পূর্ব বিরগাঁও গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরে এক যুবকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। নারী ও শিশু নির্যাতন মামলার এজাহার প্রত্যাহার করতে চাপ সৃষ্টি এবং হুমকির জেরে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
ভুক্তভোগী সাফার্ম উদ্দিন (৫৫), পিতা-মৃত শরিফ উল্লা, গ্রাম-পূর্ব বিরগাঁও, ডাকঘর-বিরগাঁও বাজার, উপজেলা-শান্তিগঞ্জ, জেলা-সুনামগঞ্জ, এ বিষয়ে লিখিত দরখাস্তে জানান—তার ছেলে খাইরুল (জখমী) পূর্বে একটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং প্রধান আসামিদের একজন হাজতাবদ্ধ আছেন।
দরখাস্তে উল্লেখ করা হয়, মামলা তুলে নিতে দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তরা খাইরুলকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন পূর্ব বিরগাঁও গ্রামের তালবাড়ীর সামনে সরকারি রাস্তায় পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অবস্থান নেয় অভিযুক্তরা।
অভিযোগ অনুযায়ী, খাইরুল ঘটনাস্থলে পৌঁছামাত্র অভিযুক্ত জমির (৫৫) নির্দেশে জামেল (৩০) লোহার রড দিয়ে তার পায়ে আঘাত করে। এতে তার ডান পা মারাত্মকভাবে ভেঙে যায়। পরে আরেক অভিযুক্ত সনি (২৮) কাঠের রোলার দিয়ে একই স্থানে আঘাত করলে খাইরুল গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে উদ্ধার করেন। এ সময় অভিযুক্তরা সাক্ষীদের সামনেই মামলা তুলে না নিলে খাইরুলকে প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয়রা আহত খাইরুলকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। কর্তব্যরত চিকিৎসক তার পায়ের এক্স-রে করে ভাঙা নিশ্চিত করেন এবং প্লাস্টার করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের ৫০৩ নম্বর ওয়ার্ডের ২২ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে আপোষ-মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্তরা রাজি না হওয়ায় আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
এ বিষয়ে সাফার্ম উদ্দিন ন্যায়বিচারের স্বার্থে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জমির বলেন আমরা বলছিলাম মামলা তুলতে সে তুলেনা তাই তাকে মাছের কাঁটার ডাল দিয়ে পা- ভাঙ্গছি ।