বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো চীফ :
আকাশের কোথাও নেই একবিন্দু মেঘ শুধু প্রখর রোদ্রের চৈত্রের খরতাপে উত্তাপ চতুর্দিক তীব্র দাবাদহে অতিষ্ঠ জনজীবন স্বস্তির নিঃশ্বাসটুকুর জন্য খুঁজছে কোন গাছ তলার নিচে ছায়ার আবরণ।
তাপের থার্মোমিটারের পারদ উঠেছে ৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস ক্রমান্বয়ে বাড়তে থাকা এই তাপপ্রবাহের কারণে পুড়ছে দেশ।
টানা ৮ দিন তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে খুলনা অঞ্চলে জুড়ে ।
পড়েছে ভ্যাপসা গরম ।
রিক্সাওয়ালা থেকে দিনমজুরি খেটে খাওয়া মানুষ ও রোজাদারদের উঠছে নাভিস্বাঃস।
এদিকে খাল-বিল হাওর বাওর মাঠ শুকিয়ে ফেটে চৌচির।
ফসলের ক্ষেতে পানি না থাকায় বিবর্ণ হচ্ছে চেহারা কৃষকদের স্বপ্ন।
বর্তমান এক সপ্তাহ যাবত দেশের
৮ টি বিভাগের মধ্যে খুলনা বিভাগের দশটি জেলা জুড়ে পড়েছে প্রচন্ড গরম।
আজও বিভাগের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়
৩৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
এক্ষেত্রে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে গত পাঁচ দিন থেকে তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে এবং আগামী আরো এক সপ্তাহ যাবৎ তাপমাত্রার বৃদ্ধি পাবে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ তথ্যটি নিশ্চিত করেছে।
চলতি মৌসুমে বিভাগে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড করা হলেও পাশাপাশি রাজশাহীতে ছিল ৩৮.১ ডিগ্রি যশোরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তাছাড়া দেশের অন্য বিভাগ ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়াবিদ মোঃ বজলুর রশিদ জানিয়েছেন তাপপ্রবাহের মধ্যে কোনো কোনো স্থানে হালকা বৃষ্টিপাত হয়েছে।
বর্তমানে দেশের ছয়টি জেলার উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরণের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।
অগ্নিদগ্ধ চৈত্রের খরতাপ বৃদ্ধির কারণে রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষদের প্রয়োজনের তাগিদ ছাড়া বের হতে দেখা যাচ্ছে খুবই কম।
মানুষের পাশাপাশি প্রাণীকূল ও ভ্যাপসা গরমে কোথাও কোনো ছায়া পেলে সেখানে গিয়ে জিহ্বা বের করে হাপাচ্ছে।
অনেক পথচারী রোদ ও তাপ ঠেকানোর জন্য মাথায় ছাতা দিয়ে চলাচল করছে।
এছাড়া নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরে দেখা গেছে গরম জনিত রোগ ডায়রিয়া আমাশা ও দাস্তো রোগী হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্য অধিকাংশ শিশু ও বয়বৃদ্ধ রোগীদের সংখ্যা বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
গরম জনিত রোগ সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয় চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ভ্যাপসা গরমের মধ্যো সব থেকে বেশি ঝুঁকির মধ্য রয়েছে শিশু বয়স্ক রোগী ও হাই প্রেসার ব্লাড প্রেসার এবং হার্টের রোগীরা।
এক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য চিকিৎসকরা পরামর্শ দিয়ে বলেছেন এসময়ের মধ্যে সবাইকে তরল জাতীয় খাবারের পাশাপাশি ডাবের পানি খাবার স্যালাইন ও লেবুর পানি বারবার সেবন করার পরামর্শ দিয়েছেন।